কুড়ারবাজার ইউনিয়নের বন্যাদুর্গত ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের প্রায় সাড়ে ৪শত দরিদ্র পরিবার বন্যা দুর্গত থাকলেও ত্রাণ পেয়েছেন মাত্র ২শত পরিবার। প্রায় দুই শতাধিক পরিবার সরকারি ত্রাণ পাননি। এ ইউনিয়নে গতকাল বৃহস্পতিবার ত্রাণ বিতরণ শেষ হয়েছে বলে জানান ইউপি চেয়ারম্যান আবু তাহের।

চেয়ারম্যান তাহের বলেন, উপজেলা থেকে দুই মেট্রিক টন চাল আমার ইউনিয়নের বন্যার্থদের মধ্যে বিতরণ করার জন্য দেয়া হয়েছে। আমরা ত্রাণ পাওয়ার মতো ৩ ওয়ার্ডের প্রায় সাড়ে ৪ পরিবারের তালিকা করেছি। কিন্তু ত্রাণ পর্যাপ্ত না থাকায় এ তালিকা ছোট করে দুইশত পরিবারের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। ত্রাণ পেয়েছেন ৭নং ওয়ার্ডে ১ ‘, ৮নং ওয়ার্ডের ৪০ এবং ৯নং ওয়ার্ডের ৬০ পরিবার। পরিস্থিতি বিবেচনা করে আবু তাহের বলেন, প্রবাসীদের সাথে আমিসহ স্থানীয় উদ্যোগী মানুষজন যোগাযোগ করে ত্রাণের ব্যবস্থা করছেন। শুধু সরকারি ত্রাণের দিকে তাকিয়ে আমাদের বসে থাকলে চলবে না। সকলের সহযোগিতায় আমরা এ দুর্যোগ মোকাবেলা করবো।

ত্রাণের অপ্রতুলতার কথা জানিয়েছেন শেওলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জহুর উদ্দিন। তিনি বলেন, যে ত্রাণ পেয়েছি এতে বন্যা কবলিত সব পরিবারকে দেয়া সম্ভব হয়নি। আমার ইউনিয়নের এখন অনেক পরিবার ত্রাণ পাওয়া থেকে বঞ্চিত রয়েছে। তিনি বলেন, নতুন করে ত্রাণ আসার কথা উপজেলা থেকে আমাদের জানানো হয়েছে। এ ত্রাণ পৌছালে কিছুটা হলেও দরিদ্র পরিবারের উপকার হবে।

ত্রাণের অপ্রতুলতা উপজেলার দুবাগ, তিলপাড়া, লাউতা, মুড়িয়ায়ও রয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, সরকারিভাবে আরও ত্রাণ আসছে। আমাদের কাছে আসা মাত্র দ্রুত সময়ের মধ্যে দুর্গত মানুষের মধ্যে বিতরণ করা হবে। তিনি দেশ-বিদেশের বিত্তশালীদের এ দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের পাশে দাড়ানোরআহবান জানান।