বিয়ানীবাজার থেকে তিনদিনে ৮১ জন সন্দেহভাজন নারী-পুরুষ ও শিশুর করোনার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। গত ২৫, ২৬ ও ২৭ জুন পৌরশহরসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে সংগ্রহ করা এসব নমুনা রোববার সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ল্যাবে প্রেরণ করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লক্সের দায়িত্বশীলরা।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, যাদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে তারা হচ্ছেন- পৌর এলাকার খাসার নোমানের সংস্পর্শে আসা ৪জন, পশ্চিম ঘুঙ্গাদিয়ার আনোয়ারা বেগমের সংস্পর্শে আসা ১৩জন, বিভিন্ন জেলা থেকে আগত ৫জন, মোল্লাপুরের একই পরিবারের ৭জন, চারখাইয়ের ডালিম আহমদের সংস্পর্শে আসা ৯জন, স্বাস্থ্যকর্মী সঞ্জয় বিশ্বাসের সংস্পর্শে আসা ৩জন, করোনা মৃত বুরহান উদ্দিনের সংস্পর্শে আসা ৮জন এবং মৃদু উপসর্গ যুক্ত আরও ২২জন। এছাড়াও আরও ১৩জন পুরাতন রোগীর দ্বিতীয় স্যাম্পল নেয়া হয়েছে। তারা হচ্ছেন শিপলু আহমদ, শহীদ মিয়া সরকার, জয়নুল আবেদীন (আলীনগর), আখতার হোসপন (কসবা), জাফর আবেদীন, জয়নাল আবেদীন, তৌফিক আবেদীন, আলেয়া বেগম (খাসা), আফজল হোসেন (ফতেহপুর), নজরুল ইসলাম (কোনাগ্রাম), জাবরুল আলম (খাসা), আব্দুল্লাহ আল মামুন ও রিনা বেগম (ইউএনও অফিস)।

সন্দেহভাজনদের মধ্যে ৫১ জন পুরুষ এবং ৩০ জন মহিলা ও শিশু। এদের ২৬ জন পৌরসভার বাসিন্দা, অন্যরা পৌরসভার বাইরের। প্রত্যাকের বয়স ৩ বছর থেকে ৬৩ বছর পর্যন্ত। নমুনা সংগ্রহ করা সবাইকে হোম কোয়ারান্টাইনে রাখা হয়েছে এবং তা নিশ্চিতকল্পে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অনুরোধ করা হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাঃ আবু ইসহাক আজাদের নেতৃত্বাধীন নমুনা সংগ্রহকারী বিশেষায়িত দলে অংশ নেন এমওডিসি ডাঃ ইফাজ সামিহ, এমটিইপিআই তপনজ্যোতি ভট্টাচার্য, ল্যাব টেকনিশিয়ান সুজন অহির, ল্যাব সহকারী মূসা, ওয়ার্ডবয় আকিভ আলী ও এম্বুলেন্স চালক আনোয়ার হোসেন।

এদিকে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী প্রবাসী অধ্যুষিত বিয়ানীবাজার উপজেলা থেকে ৭৫০ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৫৬৫ জনের রিপোর্ট পাওয়া গেছে এবং এখনো অপেক্ষমাণ রয়েছে ১৮৫জনের রিপোর্ট। প্রাপ্ত রিপোর্টের ফলাফলে এখন পর্যন্ত বিয়ানীবাজারে ৮৩জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৩১জন এবং মারা গেছেন ৫জন।

এবিটিভির সর্বশেষ প্রতিবেদন-

বিয়ানীবাজার পৌরসভার ৪৭ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা