প্রধানমন্ত্রী আশ্রয়ন প্রকল্প-২ এর স্বপ্ননীড়ে প্রথম পর্যায়ে বিয়ানীবাজারের ৩০ ভূমিহীন পরিবার ঘর পেয়েছেন। শনিবার সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা সভাকক্ষে অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের হাতে ঘরের কাগজপত্র তুলে দেয়া হয়।

এর আগে সারা দেশের ৬৬ হাজার ১৮৯ পরিবারের হাতের আশ্রয়ন প্রকল্প-২ এর উপকারভোগী ভূমিহীনদের মধ্যে ঘর তুলে দেয়ার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গণভবন থেকে তাঁর উদ্বোধন অনুষ্ঠান সারা দেশের জেলা ও ৪৯২টি উপজেলাকে সম্পৃক্ত করা হয়। প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন ঘোষণার পর দেশের চারটি উপজেলার আশ্রয়ন প্রকল্পের উপকারভোগী ও দায়িত্বশীলদের সাথে সরাসরি কথা বলেন।

বিয়ানীবাজারে আশ্রয়ন প্রকল্প-২ স্বপ্ননীড়ের ঘরের কাগজপত্র ভূমিহীনদের হাতে তুলে দেন প্রশাসনের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দরা। উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন সিলেট জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী দেবজিৎ সিনহা। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মৌসুমী মাহবুবের সভাপতিত্বে ও পরিচালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন পৌর মেয়র আব্দুস শুকুর, বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মুশফিকুন নূর, উপজেলা ইউএইচও ডা. মোয়াজ্জেল আলী খান চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মোহাম্মদ জাকির হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান মাকসুদুল ইসলাম আউয়াল, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল আহাদ কলা, এম এ কাদির ও বাবুল আখতার, প্রেসক্লাব সভাপতি সজীব ভট্টাচার্য্য, ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সিহাব উদ্দিন ও আবুল খায়ের, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবাদ আহমদ, বিয়ানীবাজার জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি ও বিয়ানীবাজার নিউজ ২৪ সম্পাদক আহমেদ ফয়সাল, কৃষি কর্মকর্তা আনিছুজ্জামান, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মৌলুদুর রহমান, উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা মুশফিকুর রহমান, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রোমান মিয়া প্রমুখ।

সিলেট জেলায় শনিবার ১৪০৬টি ভূমিহীন পরিবারের মধ্যে ঘরের কাগজপত্র তুলে দেয়া হয়। বিয়ানীবাজারে প্রথম পর্যায়ে ৫০টি পরিবার পাওয়ার কথা থাকলেও ঘর নির্মাণ শেষ না হওয়ায় ৩০টি পরিবার ঘর পেয়েছে। অন্যদের শিগগিরিই ঘর বুঝিয়ে দেয়া হবে। বিয়ানীবাজার সর্বসাকুল্যে ১০৪জন আশ্রয়ন প্রকল্প-০২ স্বপ্ননীড়ের বাসিন্দা হবে।

এবিটিভির সর্বশেষ প্রতিবেদন-

বিয়ানীবাজারে গ্রামবাসীর নির্মিত বাঁশের সাকো দিয়ে চলবে যানবাহন