বিয়ানীবাজার উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা গ্রেফতার আতংকে ভোগছেন। গ্রেফতার এড়াতে সাবধানে চলাচল করছেন সংগঠনের দায়িত্বশীলরা। বিশেষ করে উপজেলা ছাত্রদল সভাপতি ফয়েজ আহমদকে গ্রেফতারের পর বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদল নেতাকর্মীদের মধ্যে গ্রেফতার আতংক দেখা দেয়।

উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা খুব সাবধানে চলাচল করছেন বলে জানা উপজেলা বিএনপি’র এক দায়িত্বশীল নেতা। তিনি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, কোটা আন্দোলন চলাকালীন সময় থানায় দায়ের করা একটি জিডির পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা ছাত্রদল সভাপতি ফয়েজ আহমদকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে ওই মামলার দ্বিতীয় আসামী দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠায় পুলিশ। তিনি বলেন, ওই মামলার প্রথম কিংবা তৃতীয় আসামী কে হতে পারে- এ নিয়ে আমরা আতংকে আছি। ফয়েজকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। পুলিশের বেপরোয়া মনোভাবে কিছুটা হলেও বিচলীত নেতাকর্মীরা। তবে কেন্দ্রীয় নির্দেশনা কি আসে- তার উপর নির্ভর করবে আগামী কর্মসূচী ও রাজনৈতিক কর্মকান্ড।

উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিক আহমদ বলেন, কোন ধরনের উস্কানি ছাড়া অযথা হয়রানির উদ্দেশ্যে পুলিশ আমাদের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করছে। হয়রানি করার উদ্দেশ্যে পুলিশ তল্লালি চালাচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করলে পুলিশী গ্রেফতার নিয়ে বিএনপি’র নেতাকর্মীরা আতংকিত নয় বলে জানান। সিদ্দিক বলেন, এ সরকারের সময়ে উপজেলা বিএনপি, যুবদল-ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা একাধিকবার জেল খেটেছেন। দেশের প্রয়োজনে দেশনেত্রী-দেশমাতার মুক্তির প্রয়োজনে জেল খাটতে নেতাকর্মীরা সব সময় প্রস্তুত রয়েছেন।

বিয়ানীবাজার থানার ওসি অবনী শংকর কর বলেন, অন্যায়ভাবে কাউকে পুলিশ গ্রেফতার করার কথা নয়। অপরাধী বা পলাতক আসামী থাকলে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। নিরিহ কিংবা কোন অপরাধের সাতে যুক্ত নয় এরকম কাউকে পুলিশ গ্রেফতার করতে অভিযান চালাচ্ছে বলে আমি শুনিনী।