শনিবার রাতে উপজেলার মুড়িয়া ইউনিয়নের চন্দ্রগ্রামের যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী আব্দুল ওয়াহিদ দুদু’র (মেম্বার) বাড়িতে ডাকাতির ঘটনায় এখনো পুলিশ রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি। রবিবার এ ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে দুইজনকে আটক করলেও জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ।

পুলিশের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা বলেন, তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে এ ঘটনার সাথে তাদের কোন সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি।

বিয়ানীবাজার থানা পুলিশের একটি দল সিলেট জেলার কারগার থেকে সর্বশেষ জামিন প্রাপ্ত ডাকাত ও চোরদের তালিকা সংগ্রহ করছে। বিশেষ করে বিয়ানীবাজার, বড়লেখাসহ আশপাশ এলাকার জামিনের থাকা অপরাধীরা এ ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখতে কাজ করছে পুলিশ।

ডাকাতির ঘটনার সাথে জড়িতদের বের করতে পুলিশ বেম কয়েকটি বিষয় নিয়ে কাজ করছে। এসব ঘটনার সাথে অতিতে যাদের সম্পৃক্ততা রয়েছে তাদের অবস্থান নির্ণয় করতে পুলিশ কাজ করছে। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে ডাকাতি ঘটনায় জেল খাটাদের তালিকা প্রস্তুত করছে পুলিশ। যেভাবেই হোক এ ঘটনার সাথে জড়িতদের বের করতে পুলিশ মরিয়া।

এদিকে প্রবাসীর পরিবার ও প্রত্যেক্ষদর্শীরা পুলিশকে জানিয়েছেন, ডাকাতদের সবার বয়স ৩০ এর নীচে বলে মনে হয়েছে। তাদের একাধিকজন সিলেটী আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলেছে। তাদের মুখ কাপড় দিয়ে ঢাকা থাকায় চেনা যায়নি। এছাড়া প্রণীত ভাষায় কথা বলাদের মুখ ঢাকা না থাকলেও তাদের কেউ চিনতে পারেননি। ডাকাতরা একাধিক আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র ডাকাতিকালে ব্যবহার করে। পালানোর সময় তিন রাউন্ড গুলি বর্ষণ করে ডাকাতরা।

বিয়ানীবাজার থানার ওসি চন্দনকুমার চক্রবর্তী বলেন, এখনো এ ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত রয়েছে এরকম কাউকে সনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না। এঘটনা থানায় মামলা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, পুলিশ ঘটনার সাথে সম্পৃক্তদের বের করতে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অনুসন্ধান করছে। আশা করি জড়িতদের সনাক্ত করে তাদের গ্রেফতার করা সম্ভব হবে।