করোনা সংক্রমণ রোধে গণপরিবহণে ধারণক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী পরিবহণে সরকারি নির্দেশনা দেয়া হলেও তা মানছে বিয়ানীবাজারের কোন গণপরিবহণ। করোনা সংক্রমণ রোধে সরকারি নির্দেশনা না মেনে শতভাগ যাত্রী নিয়ে চলছে গণপরিবহণ। তাছাড়া এত নির্দেশনা এবং প্রচার-প্রচারণার পরও যাত্রী, চালক ও সহকারীরা অনেকেই এখনও নানা অজুহাতে মাস্ক পরছেন না।

বুধবার দুপুরে সরেজমিনে বারইগ্রাম-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়ক, বিয়ানীবাজার-চন্দরপুর সড়ক, বিয়ানীবাজার-সারপার রোডসহ উপজেলার অন্যান্য সড়কে ঘুরে দেখা গেছে, চলাচলকারি গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না। অর্ধেক যাত্রী পরিবহনের বদলে দাঁড়িয়ে গণপরিবহনে চলাচল করছেন। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা সিএনজিচালিত অটোরিক্সায়। গাদাগাদি করে চালকসহ ৬জন বসে দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছেন। গণপরিবহণের চালক, হেল্পার ও যাত্রীদের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি তো দূরে থাক, মাস্ক পরার প্রবনতাও লক্ষ করা যায়।

এদিকে, বুধবার দুপুরে বিয়ানীবাজার পৌরশহরে করোনা প্রতিরোধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশিক নূরের নেতৃত্বে উপজেলা মাস্ক বিতরণের পাশাপাশি মানুষকে সচেতন করতে পথসভা করেছে উপজেলা প্রশাসন।

স্বাস্থ্যবিধি মানাতে বিয়ানীবাজারে পথসভায় ইউএনও মো. আশিক নূর বলেন, করোনার উচ্চ সংক্রমিত এলাকা হচ্ছে সিলেট। তাই মানুষের মধ্যে জনসচেতনতা বাড়াতে আমরা মাস্ক বিতরণ করেছি। তিনি বলেন, মানুষের মধ্যে মাস্ক পরা এবং স্বাস্থ্যবিধি মানার ‘ আগ্রহ কম। কিন্তু স্বাস্স্থ্যবিধি মানার ব্যাপারে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। প্রয়োজনে জেল-জরিমানাও করা হবে।

এবিটিভির সর্বশেষ প্রতিবেদন-

বিয়ানীবাজারে আবেদনের কয়েক ঘণ্টায় নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ