বিয়ানীবাজার উপজেলা শেওলা ইউনিয়নের কোনা শালেশ্বর এলাকা থেকে পুলিশ গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে এক বৃদ্ধ ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার করেছে। বৃদ্ধ ব্যবসায়ী আব্দুল গফুরের লাশ কুশিয়ারা নদীর কোনা শালেশ্বর অংশের তীরে পড়েছিল।

উদ্ধারকৃত ব্যবসায়ী আব্দুল গফুরের (৬৫) কোনা শালেশ্বর বাজারে একটি মুদির দোকান রয়েছে। তিনি কোনা শালেশ্বর গ্রামের মৃত জহির আলীর ছেলে। তিনি স্ত্রীকে নিয়ে একা বসবাস করেন। তার একমাত্র ছেলে প্রবাসে থাকেন।

বিয়ানীবাজার থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) জাহিদুল হক জানান, লাশের সুরত হাল প্রতিবেদন তৈরীর করে ময়না তদন্তের জন্য সিলেট ওসমানি হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। তিনি জানান, বুধবার নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে বাড়ি এসে স্ত্রীকে খাবার দেয়ার কথা বলে বেরিয়ে যান। রাতে আর বাড়ি ফেরেননি। তার হার্টের অসুখ ছিল।

জানা যায়, ব্যবসায়ী আব্দুল গফুর এলাকার এক মানসিক রোগীকে প্রতিদিন রাতে একবার দেখতে যেতেন। বুধবার দিবাগত রাতে হয়তো ওই রোগীকে দেখতে যাওয়ার সময় তিনি পথিমধ্যে মারা যেতে পারেন। এলাকায় তার কোন শত্রু ছিল না বলে স্ত্রী ও এলাকাবাসী জানিয়েছেন।

শেওলা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আখতার হোসেন খান জাহেদ বলেন, সকালে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসি। তিনি একজন সজ্জন ব্যক্তি ছিলেন। আমার জানা মতে তার কোন শত্রু ছিল না। সকলের ধারণা- কার এ অনাকাঙ্খিত মৃত্যু স্বাভাবিকভাবে হয়েছে।

বিয়ানীবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহজালাল মুন্সী বলেন- ‘লাশের শরীরে কোন আঘাতের চিহ্ন ছিল না। অস্বাভাবিক মৃত্যুও কোন লক্ষণ না থাকার পরও শুধু সন্দেহ মুক্ত করার জন্য লাশের ময়না তদন্ত করার জন্য সিলেট পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, ময়না তদন্তের প্রতিবেদন অস্বাভাবিক মৃত্যুও বিষয়টি উঠে আসলে প্রয়োজনী ও আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।