‘সাবধান এ বাড়িটি লকডাউন’ গত ২৪ এপ্রিল প্রথম এ রকম সাইনবোর্ড দেখে ভয়ে আঁতকে উঠা বিয়ানীবাজারবাসীর কাছে এখন এটি গায়ে সয়ে গেছে। গত ৪৮ দিনে এরকম সাইনবোর্ড ৩০বার দেখায় আগের সেই ভয় আর নেই। তাই আক্রান্তের সংখ্যা এখন বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে উপজেলাবাসীকে। নতুন আক্রান্ত চারজনই কমিউনিটি ট্রান্সমিশনের শিকার।

শুক্রবার (১২জুন) পৌরশহরের চারটি বাসা ও বাড়ি লকডাউন করেছে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও উপজেলা প্রশাসন। উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হওয়া সুপাতলা গ্রামের হাজী মউর উদ্দিনের বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। একই সাথে খাসায় এনজিও সংস্থ টিএমএসের দুই কর্মকর্তা এবং শহীদ টিলা এলাকায় ফারুক উদ্দিনের কলোনীতে বসবাসকারি এক বৃদ্ধা। মউর উদ্দিন ও এনজিও সংস্থার দুই কর্মকর্তাকে যার যার বাসস্থানে আইসোলোশনে রাখা হলেও কলোনীতে বসবাসকারি বৃদ্ধা সিকিম বেগম(৫৫)কে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।

শুক্রবার সকাল থেকে বাড়িগুলো লকডাউনকাজে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগকে সহযোগিতা করেন পৌর মেয়র আব্দুস শুকুর। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বশীলরা আক্রান্তদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ, ব্যবস্থাপত্র এবং
ঔষধ সরবরাহ করেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডাক্তার আবু ইসহাক আজাদ বলেন, আক্রান্ত চারজনের দুইজনের উপসর্গ ছিল। বর্তমানে তারা সুস্থবোধ করছেন। উপসর্গ ছাড়া শুধু অন্য জেলা থেকে আসায় টিএমএসের দুইজনের নমুনা নেয়া হয়েছিলো তারা পজেটিভ হয়েছেন। তিনি বলেন, তিন পুরুষের নমুনা ৩জুন এবং বৃদ্ধ মহিলার নমুনা ২জুন নেয়া হয়।

বিয়ানীবাজার উপবৃত্তির টাকা নিয়ে বিপাকে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা