প্রতিদিনই বিয়ানীবাজার উপজেলা বাড়ছে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। এ উপজেলায় বৃহস্পতিবার রাতে নতুন করে আরও ৩জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের করোনার ফোকাল পার্সন ডা. নয়ন মল্লিক এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আক্রান্ত রোগী বাড়ার সাথে সাথে থেমে নেই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর মৃত্যুর মিছিলও। তবুও যেন স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত রয়েছে। এমনকি মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক হলেও অধিকাংশ মানুষকেই তা ব্যবহার করতে দেখা যাচ্ছে না।

দেশে গত বছরের ৮ মার্চ প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী ধরা পড়লেও করোনা নামক ভয়ানক রোগটি প্রবাসী অধ্যুষিত সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলায় প্রথম ধরা পড়ে ওই বছরের ২৪ এপ্রিল। টাঙ্গাইল ফেরত এক স্বর্ণের দোকান কারিগর প্রথন করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছিলেন। সেই থেকে ৩ জুন রাত পর্যন্ত এই উপজেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগো শনাক্ত হয়েছেন ৫৭০জন। এর মধ্যে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩০ জন। সুস্থ হয়েছেন ৪৭২জন রোগী। এছাড়া সিলেটের বিভিন্ন হাসপাতাল ও বিয়ানীবাজারের বিভিন্ন বাসা-বাড়িতে হোম আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৭০ জন রোগী।

একে তো করোনা শনাক্তে মানুষের অনিহা, সেইসাথে দেশের অন্যান্য এলাকার মতো এখানেও কেউ স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না। গত কয়েক মাসে করোনার প্রাদুর্ভাব সহনীয় মাত্রায় থাকলেও মধ্য মার্চ থেকে দেশে করোনার প্রাদুর্ভাব অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে থাকে। এ অবস্থায় বিশেষজ্ঞরা লোক সমাগম এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেয়ার সাথে মাক্স ব্যবহার ও শারিরীক দুরত্ব বজায় রেখে চলাচলের জন্য সর্বস্তরের মানুষের প্রতি আহবান জানালেও সেটা অনেকেই মানছেন না।

এবিটিভির সর্বশেষ প্রতিবেদন-

৮ জুন চালু হচ্ছে বিয়ানীবাজারের প্রথম বাস টার্মিনাল!