বিয়ানীবাজার উপজেলার মেগার খালের উপর ব্রিজ না থাকায় দুই ইউনিয়নের কয়েক হাজার মানুষ প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। উপজেলার চারখাই ও শেওলা ইউনিয়নের বাগবাড়ি ও দেউলগ্রামকে বিভক্ত করা খালের উপর ব্রিজ নির্মাণের দাবি দুই ইউনিয়নের ভূক্তভোগী এলাকাবাসীর।

খালের উপর ব্রিজ না থাকায় শিক্ষার্থীসহ সব বয়সী মানুষ নানা বিড়ম্বনায় পড়েন। স্থানীয়ভাবে তৈরী করা বাঁশের সাকো দিয়ে পারাপার করতে প্রায়ই ঘটে দুর্ঘটনা। আর এসব দুর্ঘটনা-ভোগান্তি থেকে মুক্তি চান দুই ইউনিয়নের কয়েক গ্রামের অধিবাসীরা। তারা জানান, ৫০ বছর থেকে দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছেন, গত বিশ বছর থেকে মেঘাখারের উপর ব্রিজ নির্মাণের জন্য বার বার আবেদন করা হয়েছে।

শিক্ষার প্রসারের জন্য ৬ বছর আগে চারখাই ইউনিয়নের বাগবাড়িতে বর্তমান সরকার মডেল উচ্চ বিদ্যালয় স্থাপন করে। বাগবাড়ি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে যেতে হলে দেউলগ্রাম, পাতন, দাসপাড়া, চারাবইনহ আশপাশ এলাকার শিক্ষার্থীদের মেঘারখালের উপরের বাঁশের সাকো ব্যবহার করতে হয়। এতে প্রায়ই ঘটে বিপত্তি। অনেক শিক্ষার্থী সাকো দিয়ে পারাপার না করে খালটি নৌকায় পাড়ি দেন। শিক্ষার্থীদের নির্বিঘ্নে চলাচল করার ব্যবস্থা করতে দায়িত্বশীলরা এগিয়ে আসবেন- এ প্রত্যাশা স্থানীয়দের।

শিক্ষক বাহার উদ্দিন বলেন, প্রচুর শিক্ষার্থী যাতায়াত করেন। কিন্তু বর্ষা মৌসুমে সাকো দিয়ে পারাপার খুবই ঝুঁকিপূর্ণ অনেক শিক্ষার্থী স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দেয়। এলাকার উন্নয়ন ও শিক্ষার প্রসারে এখানে একটি ব্রিজ নির্মাণ জরুরী হয়ে পড়েছে। মাওলানা আজির উদ্দিন বলেন, নাও এবং সাকো দিয়ে চলাচল খুবই ঝুঁকিপূর্ণ প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। প্রতি মৌসুমে শিক্ষার্থীদের নিয়ে একাধিক নাও ডুবির ঘটনায় অভিভাবকরা আতংকের মধ্যে থাকেন। তিনি বলেন, দুই ইউনিয়নের সহজতর যোগাযোগ ও দুর্ভোগ-ভোগান্তি লাঘবে মেঘাখালের উপর ব্রিজ নির্মাণে দায়িত্বশীলরা আন্তরিক হবেন।

বিয়ানীবাজার উপজেলা প্রকৌশলী হাসানুজ্জামান বলেন মেঘার খালের উপর ব্রিজ নির্মাণের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। স্থানীয় সংসদ সদস্য এ খালের উপর ব্রিজ নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছি।

এবিটিভির সর্বশেষ প্রতিবেদন-

বিয়ানীবাজারে একটি ব্রিজের জন্য ৫০ বছরের অপেক্ষা