কোন জীবিত মানুষকে এভাবে ডাকলে একবার না একবার সাড়া দিত। যখন সাড়া দিচ্ছে না তখন আমার ধারণা সে মারা গেছে কিংবা আত্মহত্যা করেছে- নাম প্রকাশ না করার শর্তে কৌতুহলী এক যুবক এ কথা বলেন। বিয়ানীবাজার মুড়িয়া ইউনিয়নের কোণাগ্রামে হোটেল ব্যবসা আতিকুর রহমানের বাড়ির গৃহকর্মীর থাকার ঘরটি ভেতর থেকে বন্ধ রয়েছে।

ঘটনাস্থলে থাকা জনৈক ব্যক্তি বলেন, মেয়েটি কি ঘরের ভেতরে আছে? ঘরের ভেতরে থাকলে সে আর বেঁচে নেই। পাশে থাকা যুবক বলেন, বেঁচে আছে হয়তো মারাত্মক অসুস্থ।

বিকাল ৪টা পর্যন্ত ঘটনাস্থলে মেয়েটির অভিভাবকরা পৌঁছাননি। খবর পেয়ে কোনাগ্রামসহ আশপাশে এলাকার সব বয়সি মানুষ ভীড় করেন ব্যবসায়ী আতিকুর রহমানের বাড়িতে। এসব কৌতুহলী মানুষ নিজের অভিব্যক্তি অন্যের সাথে ভাগাভাগি করছেন।

বিয়ানীবাজার থানা পুলিশ পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) জাহিদুল হক বিয়ানীবাজার নিউজ ২৪কে বলেন, তার (মেয়েটির) অভিভাবকরা না আসা পর্যন্ত আমার অপেক্ষা করছি।