বিয়ানীবাজারের প্রাচীন তীর্থস্থান শ্রী শ্রী বাসুদেব অঙ্গনে রবিবার শ্রী শ্রী বাসুদেবের প্রথম রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে।  রথযাত্রা উপলক্ষে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা হইতে বহু পন্ডিত ও ভক্তজনের সমাগম ঘটেব। বিকাল ৪ টায় ভক্তগণ কাঠের রথে করে খোল, করতাল বাজিয়ে, হরিনাম কীর্তন করে বাসুদেব বিগ্রহকে নিয়ে ঠাকুর দিঘীর চতুরপার প্রদক্ষিণ করবেন।

উল্লেখ্য, হিন্দু রাজত্বের সময় পঞ্চখন্ডের সুপাতলা গ্রামে জয়ন্তীয়া রাজের দুর্গাদল নামক জনৈক কর্মচারী বাস করতেন। তাঁর বসত বাড়ির সম্মুখে একটি প্রচীন পুকুর ছিল। সেই পুকুরে জল থাকত না। দুর্গাদলই ঐ পুকুর খনন কালে একটি বাসুদেব ও একটি দুর্গামূর্তি পান। কথিত আছে, দুর্গাদল দেবী মূর্তিটি শক্তি উপাসক জয়ন্তীয়া রাজকে পূজার জন্য পাঠিয়ে দেন। আর বাসুদেব মূর্তিটি বিজয় কৃষ্ণ পাঠক নামক স্থানীয় একজন ব্রাহ্মণকে নিত্য পূজার জন্য প্রদান করেন। তখন  হইতে অর্থাৎ খৃষ্টীয় ৭ম শতাব্দী থেকে শঙ্খচক্র, গদাপদ্মধারী ( চতুর্ভুজ) ত্রিবিক্রম বিষ্ণু পুজিত হচ্ছেন এবং তথকালীন সময় থেকে প্রতি বৎসর আষাঢ় মাসে শ্রী শ্রী বাসুদেবের প্রথম রথযাত্রা ও এক সপ্তাহ পরে উল্টো রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

রথযাত্রা অনুষ্ঠানে সকল সনাতন ধর্মালম্বীদের উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন, রথযাত্রা উদযাপন পরিষদের আহবায়ক ভুলন মজুমদার ও সদস্য সচিব অরুনাভ পাল চৌধুরী মোহন।