বিয়ানীবাজার উপজেলার লাউতা ইউনিয়নের কালাইউরা গ্রামের ইউপি সদস্য রুমন আহমদের বাড়িতে কাজের মহিলার রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার দিবাগত মধ্যরাতে মহিলার মৃত্যু হলেও এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত (রাত সোয়া ৯টা) লাশ ইউপি সদস্য রুমনের বাড়িতে রাখা রয়েছে।

জানা যায়, উপজেলার শেওলা ইউনিয়নের দীঘলভাগ গ্রামের মৃত মন্তাজ আলীর মেয়ে রেশম বেগম (৪৫) চার মাস পূর্বে কালাইউরার ইউপি সদস্য রুমনের বাড়িতে কাজে যোগ দেন। গতকাল বৃহস্পতিবার মধ্য রাতে তার মৃত্যু হয়। নিহত মহিলার গায়ে একাধিক আঘাতে চিহ্ন রয়েছে।

ঘটনাস্থলে থাকা এক পুলিশ কর্মকর্তা বিয়ানীবাজার নিউজকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, নিহত মহিলার মরদেহ ফুলে গেছে। তার শরিরের একাধিক স্থানে রয়েছে আঘাতে চিহ্ন। শরিরে পিছন দিকের একটি আঘাতে অনেক পচন ধরার মতো অবস্থা হয়েছে। তিনি বলেন, সহকারি পুলিশ সুপার (জকিগঞ্জ সার্কেল) মস্তাক সরকার ঘটনাস্থলে আসার পর মহিলা পুলিশ সদস্যের মাধ্যমে লাশের সুরত হাল সম্পন্ন করা হবে। এই পর্যন্ত পুলিশে অনুমতি ছাড়া বাড়ির বাইরে বের না হতে ইউপি সদস্য রুমনকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

শেওলা ইউপি চেয়ারম্যান জহুর উদ্দিন বিয়ানীবাজার নিউজ ২৪কে বলেন, নিহত পরিবারের সদস্যরা এ ঘটনাটি জানালে পুলিশকে অবহিত করা হয়। বর্তমানে (রাত ১১টা) আমি কালাইউরায় মেম্বার রুমনের বাড়িতে অবস্থা করছি। জকিগঞ্জ সার্কেল ঘটনাস্থলে আসার পর লাশের সুরত হাল সম্পন্ন করা হবে বলে আমাদের জানানো হয়েছে।

বিয়ানীবাজার থানার ওসি চন্দন কুমার চক্রবর্তী বলেন, এ ঘটনায় মহিলার ভাইয়ের মৌখিক অভিযোগ দিয়েছেন। লাশের সুরত হাল সম্পন্ন করে  ময়না তদন্তের জন্য সিলেট মর্গে পাঠানো হবে। শরিরে আঘাতে চিহ্ন ও ঘা রয়েছে বলে তিনি জানান।