ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী সংগঠনবিরোধী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। তারা দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে সরকারবিরোধী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেছেন সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক। উপজেলা আওয়ামী লীগের পদধারী একজন নেতা এসব কাজে মদদ দেয়ারও অভিযোগ আনা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে দেয়া হয়েছে লিখিত অভিযোগ।

বিশ্বনাথ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পংকি খান ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমদ সম্প্রতি জেলার নেতাদের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগে বিশ্বনাথ উপজেলা ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কতিপয় নেতাকর্মী সংগঠন বিরোধী কার্যক্রম করায় সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়।

অভিযোগে বলা হয়, সিলেটের ঐতিহ্যবাহী বিশ্বনাথ উপজেলা আওয়ামী লীগ, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন যেকোন সময়ের চেয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে দলীয় কার্যক্রমে গতিশীল রয়েছে।

কিন্তু উপজেলা ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি পার্থ সারথী দাশ পাপ্পু, উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য রফিক মিয়া ও রুহেল খান প্রায় সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ও প্রকাশ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ ও উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অশালীন ও আপত্তিকর মন্তব্য এবং সংগঠনবিরোধী কার্যক্রমে সরাসরি অংশগ্রহণ করতঃ দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে দল ও সরকার বিরোধী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের সংগঠনবিরোধী এই হীন কাজের নেতৃত্ব দিচ্ছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ।

পাপ্পুর অযোগ্যতা ও বিতর্কিত কার্যক্রমে ইতিমধ্যে বেশ কয়েকবার বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হওয়ার কারনে উপজেলা ছাত্রলীগের কার্যক্রমে স্থবিরতা বিরাজ করছে। ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কার্যক্রম জোরালো করতে উল্লেখিত নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে দলীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা আওয়ামী লীগের নেতাদের অনুরোধ জানান তারা।

উল্লেখ্য, শুক্রবার (১৫ এপ্রিল) বিকেলে সিলেটের বিশ্বনাথে স্থানীয় একটি কমিউনিটি সেন্টারে আলোচনা সভা, দোয়া ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে উপজেলা ছাত্রলীগ। এতে সিলেট জেলা ও বিশ্বনাথ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কেউই উপস্থিত ছিলেন না।