যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বিয়ানীবাজার পৌরবাসীর সাথে আসন্ন বিয়ানীবাজার পৌরসভার নির্বাচনে মেয়র পদপ্রার্থী হাজী আব্দুল কুদ্দুস টিটুর মতবিনিময়। নিউইয়র্কে রোববার (২১ নভেম্বর ) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টায় ওজন পার্কের মোমজ পার্টি হলে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট শামসুল আবদিনের সভাপতিত্বে ও শ্রীধরা-নবাং জনমঙ্গল সমিতি ইউ এস এ ইনকের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হোসেন আহমদের পরিচালনায় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র বিয়ানীবাজার সমিতির নবনির্বাচিত সভাপতি মোঃ আব্দুল মান্নান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি বদরুল হোসেন খান, বিয়ানীবাজার সমিতির সাবেক সভাপতি আজিজুর রহমান সাবু, প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও বিয়ানীবাজার সমিতির সাবেক উপদেষ্টা আব্দুল খালিক লালু, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও বিয়ানীবাজার সমিতির সাবেক উপদেষ্টা হাজী শামসুল ইসলাম, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ বীর মুক্তিযোদ্ধা মুজাহিদুল ইসলাম, বিয়ানীবাজার সমিতির সাবেক কর্মকর্তা বীর মুক্তিযোদ্ধা আহমেদ মোস্তফা বাবুল, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও বিয়ানীবাজার সমিতির সাবেক উপদেষ্টা মহি উদ্দিন, বিয়ানীবাজার সমিতির সাবেক উপদেষ্টা গৌছ উদ্দিন খান, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ মইনুল ইসলাম, ফুলতলী ইসলামিক সেন্টার ওজন পার্কের সভাপতি নাসির হোসেন, গোলাবশাবাহ কিশোর সংঘ যুক্তরাষ্ট্রের সভাপতি বদরুল হোসেন, বিশিষ্ট কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্টস ফখর উদ্দিন, ফটিক আহমেদ, ময়নুল হক, সমির উদ্দিন, গিয়াস উদ্দিন, আব্দুল হক মুনিয়া, কয়সর আহমদ প্রমুখ।

সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিয়ানীবাজার সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার , বিয়ানীবাজার সমিতির সহ-সভাপতি শামীম আহমেদ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলিম, আওয়ামী লীগ নেতা সফর উদ্দিন লোদী, সাবেক ছাত্রনেতা ও কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট সরোয়ার হোসেন, আতিকুল হক আহাদ, খলকুর রহমান, সাইদ আহমেদ, সাইকুল ইসলাম, তরুণ ছাত্রনেতা ফাহিম শাকিব অপুসহ আরো অনেকে।

সভায় বক্তারা আব্দুল কুদ্দুস টিটুর অতীত কর্মকাণ্ড মূল্যায়ন করে যোগ্যতম প্রার্থী হিসেবে তাকে নির্বাচিত করার আহ্বান জানান। বক্তারা বলেন, টিটু তৃণমূল থেকে উঠে আসা একজন দক্ষ নেতা ছাত্র-যুব রাজনীতিকসহ সামাজিক কর্মকাণ্ডে রেখেছেন বলিষ্ঠ ভূমিকা। বিশেষ করে পৌরসভার নির্বাচনের দাবি আদায়ে তার ভূমিকা ছিল সর্বজন স্বীকৃত ও প্রশংসিত। প্রবাসী অধ্যুষিত বিয়ানীবাজার পৌরসভাকে মডেল পৌরসভায় রূপান্তরিত করতে তার মতো তরুণ, উদ্যমী এবং সৃজনশীল নেতৃত্বের প্রয়োজন।

মেয়র পদপ্রার্থী আব্দুল কুদ্দুস টিটু তার বক্তব্যে বলেন, আমি ছাত্র জীবন থেকে গণমানুষের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছি। ছাত্র রাজনীতি করেছি সেখানেও চেষ্টা করেছি ছাত্র-ছাত্রীদের কল্যাণে কাজ করতে। আমি একটা দলের আদর্শে বিশ্বাস করলেও চেষ্টা করেছি দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে জনমানুষের সেবায় কাজ করতে। ছাত্র জীবন শেষে যুব রাজনীতিতে এসে নেতৃত্ব দিয়েছে বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ যুব সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ বিয়ানীবাজার উপজেলা শাখার আহ্বায়ক পদে। সেখানেও সচেষ্ট করেছি গণমানুষের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রাখতে।

দীর্ঘ দেড় যুগেরও বেশি সময় পর আমাদের পৌরসভা যে নির্বাচিত পৌর পিতা পেয়েছে সেই আন্দোলনের আমি ছিলাম অগ্রসৈনিক। দীর্ঘদিন হাতেগোনা কয়েকজন মানুষ আইনি লড়াই আর আন্দোলন সংগ্রাম করে পৌরসভার বহুল প্রতীক্ষিত নির্বাচন আদায় করেছিল সেখানে অবদান রাখতে পেরে আমি নিজেকে গর্বিত মনে করছি। পৌরসভার প্রথম নির্বাচনে আমি আমার দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন চেয়েছিলাম তবে তখন নানা সমীকরণের কারণে আমাকে নমিনেশন দেয়া হয়নি আমিও তা মেনে নিয়েছিলাম দলের স্বার্থে। আমার শুভাকাঙ্ক্ষীরা চেয়েছিলেন যাতে আমি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা করি তবে আমার দলের বৃহত্তর স্বার্থে আমি সেই সময়ে নির্বাচন করিনি। আমার অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী তাতে মনোক্ষুন্ন হয়েছিলেন সেজন্য আমি আবারো তাদের কাছে ক্ষমা চাচ্ছি।

আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে আপনাদের সকলের মতামত ও সহযোগিতা নিয়ে আমি আবারও আমার দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চাইবো। আশা করি এবার আমাকে আমার দল নিরাশ করবে না। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বিয়ানীবাজার পৌর এলাকাসহ আশপাশের মানুষজন আজকে এখানে উপস্থিত হয়ে আমার প্রতি যে ভালোবাসা দেখিয়েছেন আমি আপনাদের কাছে চির ঋণী হয়ে থাকবো। আশাকরি পৌর নির্বাচন পর্যন্ত আপনাদের এই সহযোগিতা এবং আন্তরিক ভালোবাসা অব্যাহত থাকবে।

সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন তরুণ কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট রেজাউল আলম অপু, রুহেল আহমদ, মাসুম আলম, জিল্লুর রহমান, রুহেল আহমদ, আবু তালেব মোহাম্মদ তালহা, হারুন রশিদ রানা, আব্দুল জব্বার, তাজ উদ্দীন, আলী হোসেন, বজলুল হক, আবু তাহের, হাসান আহমেদ, সাহিদ আহমেদ, সুমন আহমেদ, রুমণ আহমেদ, রুবেল আহমেদ, আবুল কাশেম, সামাদ আহমেদ, আব্দুল মতিন, আহমেদ কবির, অনি আহমদ, গুলজার আহমেদ জনি, তারেক আহমদ, আব্দুল আহাদ, স্বপন আহমেদ, মোস্তফা কামাল, ফখরুল ইসলাম বেলাল, কবির আহমেদ প্রমুখ।