দুদকের হটলাইন ১০৬-এ আসা দুর্নীতি ও বি‌ভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ পেয়ে বিয়ানীবাজার উপজেলার সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। রবিবার (২১ জুলাই) বেলা সাড়ে ১২টায় দুদকের একটি এনফোর্সমেন্ট টিম দ্বারা এ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযান চলাকালে বিয়ানীবাজার উপজেলা সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে সরকার নির্ধারিত ফি না রেখে বাড়তি টাকা নিয়ে রসিদ ছাড়াই মৌজা ম্যাপ ও পর্চা দেয়ার অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে দুদক। এসময় উপজেলা সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসে আসা সেবা গ্রহণকারীরাও দুদক কর্মকর্তাদের কাছে সেটেলমেন্ট অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে মৌখিক অভিযোগ জানান।

এদিকে, দুদকের অভিযান চলাকালে উপজেলা সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসের চেইনম্যান বেলাল আহমদ ব্যতীত সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অনুপস্থিত ছিলেন।

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সমন্বিত জেলা কার্যালয় সিলেটের সহকারী পরিচালক ইসমাইল হোসেনের নেতৃত্বে অভিযানে অংশগ্রহণ করেন উপ-সহকারী পরিচালক মো. আশরাফ উদ্দিন ও জুয়েল মজুমদার।

সহকারী পরিচালক ইসমাইল হোসেন বলেন, হট লাইনে অভিযোগ পেয়ে আমরা অভিযান চালিয়েছি। সহকারি সেটেলমেন্ট কর্মকর্তাসহ এখানকার দায়িত্বশীল কর্মকর্তা-কর্মচারী সবাই অনুপস্থিত ছিলেন। অভিযানে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের সত্যতা আমরা পেয়েছি। তিনি বলেন, আমাদের তদন্ত প্রতিবেদন সুপারিশ আকারে কশিমনে প্রেরণ করবো। দুদক সে আলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) জেসমিন আক্তার বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ছুটিতে রয়েছেন। প্রশাসনিক কাজে সিলেটে অবস্থানকালে দুদকের অভিযানের বিষয়টি জেনেছি।