গত ২৩জুন রবিবার ঢাকা ও সিলেট থেকে পরিচালিত কয়েকটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে  এ ‘‘অবৈধপথে স্পেনে পাড়ি জমানো মাসুমের অবস্থা গুরুতর, চোখের জলে ভাসছে পরিবার’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত সংবাদে আমি নিজামুল হক নাজিম কে দালাল (মানব পাচারকারী) হিসেবে সম্বোধন করে মাসুম নামক এক যুবককে অবৈধপথে স্পেনে পাঠানো সহ সংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে অভিযুক্ত করা হয়েছে। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভুল তথ্য সম্বলিত।

প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে সংবাদে উলে­খিত মাসুমকে বিদেশে পাঠিয়েছেন আব্দুল আহাদ। পরবর্তীতে উভয় পক্ষের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দিলে স্থানীয় বারইগ্রামবাজার ব্যবসায়ী কমিটির সভাপতি, বারইগ্রামবাজার মসজিদ কমিটির সভাপতি ও একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী হিসেবে বিষয়টি আমাকে অবগত করা হয় এবং আমি তা নিরসনের চেষ্টা করেছি মাত্র। এছাড়া মানাব প্রাচার বা কোন ধরনের দালালির সাথে আমার কোন সম্পৃক্ততা নেই। যা প্রকাশিত সংবাদের ভিকটিম মাসুমের পরিবারের সদস্যরাও স্বীকার করেছেন এবং উক্ত সংবাদে আমাকে জড়ানোর ফলে তারা নিজেরাও বিব্রত হয়েছেন। সাংবাদিকতার নীতি ও নৈতিকতা ভঙ্গ করে আমার কোন বক্তব্য ছাড়াই মনগড়া ভাবে ভুল তথ্য দিয়ে আমাকে অভিযুক্ত করে প্রকাশিত সংবাদটি উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও হীন পায়তারা বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। প্রকাশিত উক্ত সংবাদ দেশে-প্রবাসে অবস্থানরত আমার পরিবার-পরিজন, বন্ধু-স্বজন ও শুভাকাঙ্খিরা ইতিমধ্যে দেখেছেন। এ অবস্থায় মিথ্যা তথ্য দিয়ে অনৈতিকভাবে প্রকাশিত সংবাদটির জন্য আমার ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক মারাত্বক মানহানি ঘটেছে। আমাকে সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করা হয়েছে। আমি উক্ত মিথ্যা সংবাদের তীব্র নিন্দ্রা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সেই সাথে সাংবাদিকতার মহান পেশায় জড়িত জাতির বিবেক সাংবাদিক ভাইদের প্রতি অনুরোধ আপনারা সত্য-মিথ্যা যাচাই ছাড়া বানোয়াট তথ্য দিয়ে এরূপ সংবাদ প্রচার থেকে বিরত থাকবেন।

-নিজামুল হক নাজিম (সভাপতি, বারইগ্রামবাজার ব্যবসায়ী সমিতি ও বারইগ্রামবাজার মসজিদ কমিটি)।