সকাল থেকে বিয়ানীবাজার উপজেলাসহ সিলেট অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রায় বন্ধ রয়েছে। অনেকটা রটেশনে চলছে বিদ্যুৎ সরবরাহ। যার কারণে ঈদুল আযহার ছুটির পর প্রথম কার্যদিবসে বিপর্যস্থ অফিস পাড়া। বিদ্যুতের টানা লোডশেডিংয়ে নাকাল বিয়ানীবাজারসহ পুরো সিলেট অঞ্চল। বাসা-বাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চরম অবস্থা বিরাজ করছে।

সিলেটে আজ সোমবার মারাত্মক লোডশেডিং শুরু হয়েছে। রবিবার দিবাগত রাত ১২ টার পর থেকে গ্যাস লাইনে জরুরী মেরামত ও সংরক্ষণ কাজ শুরু করেছে গ্যাস উত্তোলক প্রতিষ্ঠান শেভরন। এ মেরামত ও সংরক্ষণ কাজ চলবে আরও ৩০ ঘন্টা। মুলত টানা ৫০ ঘন্টা শেভরন যান্ত্রিক রক্ষণাবেক্ষণ করবে। যার কারণে বিদ্যুৎ উৎপা;ন ব্যাহত হওয়ায় এর প্রভাব পড়েছে বিদ্যুৎ সরবরাহে।

এই মেরামত ও সংরক্ষণের সময়ে সিলেট অঞ্চলের বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র সমূহে গ্যাস সরবরাহ সীমিত, কিছু কিছু সময় বন্ধ থাকবে। ফলে সিলেট জেলায় পিক আওয়ারে চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ সরবরাহ কম হবে। এজন্য সিলেট নগরী ও বিভিন্ন উপজেলায় লোডশেডিং হতে পারে।

এসব তথ্য জানিয়ে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সিলেট বিতরণ অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী রতন কুমার বিশ্বাস বলেন- সিলেটের বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলো গ্যাস নির্ভর। গ্যাস লাইনে কাজের ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলোতে সরবরাহ সীমিত থাকবে। তাই, ৪ সেপ্টেম্বর মধ্যরাত থেকে পরবর্তী ৫০ ঘন্টা সিলেটে বিদ্যুৎ সরবরাহে কিছুটা সমস্যা হবে। তবে সারাদিন এই সমস্যা হবে না বলেও জনান তিনি।

মুলত পিক আওয়ার অর্থাৎ সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহে সমস্যা হতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি। কিন্তু তাঁর দেয়া তথ্যের সাথে বিয়ানীবাজার পৌরশহরসহ উপজেলার অধিকাংশ এলাকার কোন মিল নেই। সকাল থেকে টানা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল। এ রির্পোট লেখার সময় সন্ধ্যা সোয়া ৬টার আসলেও বলটেস লো ছিল।

এ বিষয়ে বিয়ানীবাজার পল্লীবিদ্যুতের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আমাদের এখানে কোন সমস্যা নেই। বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র থেকে চাহিদা অনুয়ায়ি সরবরাহ না পাওয়া বিদ্যুৎ সরবরাহে সমস্যা হয়েছে।

বিয়ানীবাজার পল্লীবিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডিজিএম অভিলাস চন্দ্র পালের অফিসের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তার সাথে আলাপ করা সম্ভব হয়নি।