আজ ১৬ই ডিসেম্বর। দুপুর বেলা ২টা থেকে বিয়ানীবাজার পৌরশহরের স্থানীয় একটি পার্টি সেন্টারে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে জমিয়তের অবদান শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা জমিয়তের বিদায়ী সভাপতি মাওলানা আব্দুশ শহিদের সভাপতিত্বে ও বিদায়ী সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল খালিক কাসেমির পরিচালনায় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা জমিয়তের জয়েন্ট সেক্রেটারি সাবেক ছাত্রনেতা মাওলানা আব্দুল মালিক কাসেমি।

অনুষ্ঠানের শুরুতে কালামে পাকের তেলাওয়াত করেন ছাত্রনেতা হাফিজ আব্দুল্লাহ্।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন- ভারতবর্ষের স্বাধীনতা অর্জন ও বিটিশ খেদাও আন্দোলনে সর্বচ্চো অবদান ছিলো উলামায়ে কেরামের। এর ধারাবাহিতায় পাকিস্তানি জালিম শাহির বিরোদ্ধেও সর্বপ্রথম স্বাধীনতার আওয়াজ তুলেন উলামায়ে কেরাম।সর্বপ্রথম পাকিস্তানের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে বয়কটের ঘোষণা আসে জমিয়তের মহাসমাবেশ থেকে।৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধুর রেসকোর্স ময়দানের ভাষণের পর তৎকালীন জমিয়তের সেক্রেটারি মুফতি মাহমুদের নির্দেশে মুক্তিযুদ্ধের নয়মাস সক্রিয় যুদ্ধে অংশগ্রহণ, মুক্তিযুদ্ধাদের সার্বিক সহযোগীতা, ওয়াজ নসিহতের মাধ্যমে স্বাধীনতার স্বপক্ষে মানুষকে উদ্বুদ্ধকরণের কাজ করেন উলামায়ে কেরাম।মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সাথে উলামায়ে কেরামের পরিচালিত সংগঠন জমিয়ত ওৎপোতভাবে জড়িত। তাই জমিয়ত কে মাইনাস করে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস পূর্ণাঙ্গ নহে।

আলোচনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জমিয়তের নবনির্বাচিত সভাপতি মাওলানা আসআদ উদ্দিন আল মাহমুদ, সহ সভাপতি শায়খ আতিকুর রাহমান, আশরাফ ফারুক, মাওলানা আবুল কাসিম,
নবনির্বাচিত সেক্রেটারি আব্দুল হক কাসেমি, জয়েন্ট সেক্রেটারি রুহুল আমিন, সহ সেক্রেটারি মাওলানা ফারুক, মাওলানা রায়হান, মুফতি আবু ইউসুফ, মাওলানা তোফায়েল আহমদ, জয়নাল আবেদিন, হাফিজ মারুফুল হাসান, হাফিজ উবায়দুল্লাহ, দিলাওয়ার হুসাইন, খালেদ চৌধুরি, জিয়া উদ্দিন, শরিফুল হাসান প্রমুখ।

সভা শেষে নতুন কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ ও সাংগঠনিক শপথ পাঠ করা হয় এবং স্বাধীনতা সংগ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফিরাত ও দেশের শান্তি সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মুনাজাত করা হয়।