টানা বৃষ্টিতে বেড়েছে সিলেটের সবগুলো নদনদীর পানি। কুশিয়ারা নদীর পানি ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে ইতোমধ্যে বিপদসীমা অতিক্রম করছে। অন্য সব জায়গায়ও সুরমা ও কুশিয়ারার পানি বিপদসীমা ছুঁইছুঁই করছে। এদিকে বৃষ্টিপাত আরও দুদিন অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তদর। এতে বন্যার শঙ্কাও দেখা দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সিলেট কার্যালয় থেকে পাঠানো প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওইদিন সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কুশিয়ারা নদীর পানি ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে বিপদসীমার .০২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এই পয়েন্টে বিপদসীমা ৯.০৪ সেন্টিমিটার। এই নদীর পানি অমলসীদ পয়েন্টে ১৩.৫৭ সেন্টি মিটার ও শেরপুর পয়েন্টে ৭.৬০ সেন্টিমিটার, শেওলা পয়েন্টে ১১.০৫ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এই তিন পয়েন্টে বিপদসীমা যথাক্রমে ১৫.৪০, ৮.৫৫ ও ১৩.০৫ সেন্টিমিটার।

সুরমা নদীর অমলসীদ পয়েন্টে ১১.৬৫ সেন্টিমিটার ও সিলেট ৯ সেন্টিমিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এই দুই পয়েন্টে বিপদসীমা যথাক্রমে ১২.৭৫ ও ১০.৮০ সেন্টিমিটার। বিপদসীমা ছুঁইছুঁই করছে লোভা এবং সারি নদীর পানিও।

এদিকে, বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ী দমকা ও ঝড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে। এছাড়া পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে ভারি (৪৪ থেকে ৮৮ মি.মি.) থেকে অতি ভারি (৮৯ মি. মি. বা তারচেয়ে কম) বর্ষণ হতে পারে।

বিদায়বেলায় প্রফেসর দ্বারকেশ চন্দ্র নাথের অশ্রুসিক্ত কৃতজ্ঞতা