আগামী বছর ক্রিকেটের ব্যস্ত সূচি পার করবে বাংলাদেশ। ফেব্রুয়ারিতে নিউজিল্যান্ড সফরে যাবে মুশফিক-সাকিবরা। এবারই প্রথম কিউইদের বিপক্ষে বাংলাদেশ তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলবে। এছাড়া সফরে তিনটি ওয়ানডে খেলবে সফরকারী দল। এমনটাই নিজের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড ওয়ানডে ও টেস্ট সিরিজের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয় ব্ল্যাক ক্যাপসরা।

গত বছরের শুরুতেও নিউজিল্যান্ডে পুর্নাঙ্গ সিরিজ খেলেছিল বাংলাদেশ। দুই বছর না যেতেই আবারো দেশটিতে সফর করবে টাইগাররা। তবে আগামী সিরিজে তিনটি টেস্ট ম্যাচ থাকলেও থাকছে না কোন টি-টোয়েন্টি সিরিজ। ওয়ানডে দিয়ে শুরু হবে সে সফর।

টেস্টের জগতে বাংলাদেশের দেড় যুগের পথচলায় এটি হবে মাত্র চতুর্থ তিন ম্যাচের সিরিজ। ২০০৩ সালে পাকিস্তান সফরে প্রথমবার ৩ ম্যাচের সিরিজ খেলার স্বাদ পেয়েছিল বাংলাদেশ। ২০০৭ সালে খেলেছিল শ্রীলঙ্কায়। আর সবশেষ ২০১৪ সালে দেশের মাটিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

২০১৬-১৭ মৌসুমের নিউ জিল্যান্ড সফরের মতো মতো এবারও ওয়েলিংটন ও ক্রাইস্টচার্চে টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ। সঙ্গে বাড়তি যোগ হয়েছে হ্যামিল্টন।

২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে স্যাডন পার্কে শুরু হবে সিরিজের প্রথম টেস্ট ম্যাচ। দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচ হবে ওয়েলিংটনে। শুরু ৮ মার্চ থেকে। সিরিজের শেষ ম্যাচটি খেলবে তারা চার্চে। ১৬ মার্চ থেকে শুরু হবে তৃতীয় ও শেষ টেস্ট ম্যাচটি। তবে এর আগে হবে ওয়ানডে সিরিজ। ১৩ ফেব্রুয়ারি ম্যাকলিন পার্কে প্রথম ওয়ানডে খেলবে টাইগাররা। ১৬ ফেব্রুয়ারি চার্চে ও ২০ ফেব্রুয়ারি ওটোগা ওভালে দ্বিতীয় ও তৃতীয় ওয়ানডে ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ।

বিদেশের মাটিতে ১১ বছর পর তিন ম্যাচের টেস্ট খেললেও দেশের মাটিতে ২০১৪-১৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টেস্ট খেলছিল বাংলাদেশ। মজার ব্যাপার হচ্ছে ঘরের মাঠে ওই একবারই তিন ম্যাচের টেস্ট ম্যাচ খেলে টাইগাররা। তবে ২০০৭ সালে শ্রীলঙ্কা সফর ছাড়া বিদেশের মাটিতে আরও একবার তিন ম্যাচের সিরিজ খেলেছিল বাংলাদেশ। ২০০৩ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের সিরিজ খেলেছিল খালেদ মাহমুদের দল।