সম্প্রতি মাস দুয়েক আগে সিলেট বিভাগের সুনামগঞ্জ ও সিলেট জেলার বেশির এলাকা বন্যার পানিতে তলিয়ে ছিল। সেইসময়টিতে বন্যা কবলিত বানবাসী এলাকার মানুষের দুর্ভোগের অন্ত ছিল না। শুধু বন্যা পরবর্তী সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মানুষ খাদ্য, ওষুধ, বাসস্থান ও গো-খাদ্যের সঙ্কটে পড়ে যান। এসব মানুষদের সহায়তায় এগিয়ে এসেছে দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান। একইভাবে এসব মানুষদের সাহায্যার্থে এগিয়ে এসেছে সিলেট অঞ্চলের আর্তমানবতার সেবায় কাজ করা লিভ এ লেগেসি প্রজেক্ট নামে একটি চ্যারিটি সংগঠন।

গত দুই সপ্তাহে ধাপে ধাপে লিভ এ লেগেসি প্রজেক্ট সিলেটের সুনামগঞ্জ ও সিলেট জেলার বিভিন্ন উপজেলার ৬ শতাধিক পরিবারের মাঝে বন্যা পরবর্তী সহায়তা স্বরুপ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছে। লিভ এ লেগেসির এই প্রজেক্ট বাস্তবায়নে সুনামগঞ্জে মাওলানা জাহিদুর রহমান, কানাইঘাটে শিক্ষক আবু সিদ্দিক ও জুনেদ আহমদ, জকিগঞ্জে মিনহাজুর রহমান ও বুরহান উদ্দিন ভলান্টিয়ার হিসেবে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কার্যে সার্বিকভাবে সহায়তা করেছেন।

এদিকে, বন্যা পরবর্তী সময়ে খাদ্য সহায়তা সহায়তা স্বরুপ লিভ এ লেগেসি প্রজেক্টের এসব উপহারসামগ্রী পেয়ে এই চ্যারিটি সংগঠনের সকল দায়িত্বশীল ও ডোনারদের প্রতি কৃতজ্ঞতাবোধ প্রকাশ করেন উপকারভোগী পরিবারগুলো সদস্যরা।

প্রতিবেদকের সাথে যুক্তরাষ্ট্র থেকে মুঠোফোনে কথা হয় লিভ এ লেগেসি প্রজেক্ট ডিরেক্টর হাবিবুর রহমান জুনেদের। তিনি জানান, টেলিভিশন বা পত্রিকায় বন্যা কবলিত এলাকার মানুষদের খোঁজখবর নিয়মিত নিয়েছি। বন্যার সময় অনেক রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন, ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান নানাভাবে বানবাসী মানুষদের সহায়তায় পাশে ছিলেন। তবে বন্যা পরবর্তী সময়ে এসব মানুষজন সবচেয়ে খাদ্য, পানি ও বাসস্থান সঙ্কটবোধ করছেন। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে লিভ এ লেগেসি প্রজেক্ট খাদ্য সহায়তা নিয়ে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে।

 

তিনি বলেন, এসব মানুষের পাশে দাঁড়াতে পেরে ভালো লাগছে। বিশেষ করে প্রবাসীদের সহায়তায় প্রত্যন্ত অঞ্চলের বন্যা কবলিত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মুখে এক চিলতে হাসি ফু্টানো কিছুটা হলেও সম্ভব হচ্ছে।

হাবিবুর রহমান জুনেদ আরও বলেন, বিগত কয়েক বছর ধরে প্রবাসী দাতা সদস্যদের সহযোগিতায় সিলেট অঞ্চলের অসহায় মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে এই প্রজেক্ট। এই সংগঠনটি ইতোমধ্যে সিলেট জেলার বিভিন্ন স্থানের শীতার্তদের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ, পবিত্র রমজান মাসের আগে হতদরিদ্রদের মাঝে খাদ্য সহায়তা, ঈদে উপহার স্বরুপ খাদ্য সহায়তা, অনুন্নত এলাকায় বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব ও দেশের ক্রান্তিলগ্নে বিভিন্ন ধরনের মানবিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত করে আসছে। আগামীতেও এসব কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকবে।

‌বিয়ানীবাজারের প্রাচীন বাজারের একটি বৈরাগীবাজার, নেই আগের জৌলস