দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার ইউএনও’র উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনার পর নতুন করে সামনে এসেছে ইউএনওদের নিরাপত্তার বিষয়টি। জলমহাল ও হাটবাজার ইজারা, বালু ও পাথর কোয়ারী লিজ, সরকারী সম্পত্তি রক্ষা, উচ্ছেদ অভিযান, পাবলির পরীক্ষা, নির্বাচনসহ বহু ঝুঁকিপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে হয় তাদের। বিধি মোতাবেক এসব কাজ করার ফলে অনেকেই সংক্ষুব্ধ হয়।

দিনাজপুরের নৃশংস ঘটনার তীব্র নিন্দা ও উদ্বেগ প্রকাশ করে বাসভবনসহ উপজেলা প্রশাসনের নিরাপত্তার জোরদারের দাবি জানিয়েছেন জকিগঞ্জ উপজেলায় যোগদানকৃত প্রথম নারী ইউএনও সুমী আক্তার। তাছাড়া, তিনি ইউএনও ও সহকারি কমিশনার (ভূমি)সহ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নিরাপত্তার জন্য পৃথক গ্যানম্যান, অন্তত ১০জন ব্যাটেলিয়ন আনসার নিয়োগে দাবি জানান।

উল্লেখ্য, জকিগঞ্জ উপজেলা কমপ্লেক্সের জন্য ২জন নৈশ্য প্রহরী থাকলেও ইউএনওর বাসভবনের জন্য পৃথক কোন নিরাপত্তাকর্মী নেই। এদিকে শুক্রবার রাত থেকে জকিগঞ্জ উপজেলা কমপ্লেক্সে সার্বিক নিরাপত্তার জন্য ৪জন আনসার ব্যাটেলিয়ান সদস্য নিয়োগ করা হয়েছে।

এবিটিভির প্রতিবেদন-

নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন বিয়ানীবাজারের ইউএনও মৌসুমী মাহবুব