দীর্ঘ ৪৮ ঘন্টা ধর্মঘটের পর অবশেষে আগামীকাল থেকে স্বাভাবিকভাবে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিলেট জেলা সিএনজি মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদ।

বুধবার রাতে সিলেট মহানগর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের সাথে বৈঠকে প্রশাসনের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এ সিদ্ধান্ত নেয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট জেলা সিএনজি অটোরিকশা শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. জাকারিয়া আহমদ। তিনি জানান- ট্রাফিক বিভাগ সিএনজি মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের যৌক্তিক দাবিগুলো মেনে নেয়ার আশ্বাস দিলে তারা চলমান ধর্মঘট থেকে সরে এসেছেন।

যার ফলে গত ৩ দিন থেকে চলমান পরিবহণ ধর্মঘটের কবল থেকে কিছুটা মুক্ত হয়েছেন সিলেটবাসী। আর অটোরিকশা মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদ নেতৃবৃন্দ তাদের ধর্মঘট থেকে সরে আসায় কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন সিলেটের মানুষ।

তবে এখনও চলমান রয়েছে ৭২ ঘন্টার বাস-ট্রাকসহ অন্যান্য পরিবহণ ধর্মঘট।

এর আগে সিএনজি অটোরিকশায় গ্রিল সংযোজনের সিদ্ধান্ত বাতিলসহ ৬ দফা বাস্তবায়নের দাবিতে সিলেট জেলা সিএনজি মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদ গত ২১ডিসেম্বর সোমবার থেকে সিলেটে ৪৮ ঘন্টার ধর্মঘট শুরু করে। পরবর্তীতে তাদের দাবি-দাওয়া না মানায় আরও ২৪ ঘন্টা বাড়ানো হয় অটোরিকশার ধর্মঘট। সব মিলিয়ে তাদের ৭২ ঘণ্টার ধর্মঘট শেষ হয় আজ। তবে দাবি-দাওয়া না মানা হলে ধর্মঘট আরও বাড়ানোর কথা থাকলেও রাতে পুলিশ প্রশাসনের সাথে বৈঠক ফলপ্রসূ হওয়ায় অটোরিকশা মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদ ধর্মঘট থেকে সরে আসে।

এদিকে ২১ডিসেম্বর সোমবার ২১ডিসেম্বর সোমবার সিএনজিচালিত অটোরিকশার ধর্মঘট শুরু হলেও পরদিন ২২ ডিসেম্বর থেকে সিলেটের পাথর কোয়ারিগুলো খুলে দেয়ার দাবিতে ৭২ ঘন্টার পরিবহণ ধর্মঘটের ডাক দেয় সিলেট বিভাগীয় ট্রাক-পিকআপ-কাভার্ডভ্যান মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ। এরপর তাদের সাথে একাত্মতা পোষণ করে ধর্মঘটে শামিল হয় বাস, মিনিবাসসহ অন্যান্য গণপরিবহণ। এমন বাস্তবতায় গত তিনদিন থেকে স্তবির হয়ে আছে সিলেটের জনজীবন।

আগামীকাল বৃহস্পতিবার তৃতীয় দিনের মত ধর্মঘট পালন করবে অটোরিকশা ছাড়া সব ধরণের পণ্যবাহী ও গণপরিবহন। এরপর আপাতত স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলবে সিলেটের মানুষ।

এবিটিভির সর্বশেষ প্রতিবেদন-

বিয়ানীবাজারে উচ্ছেদ অভিযানে ব্যবসায়ীদের হামলায় পৌর কর্মী আহত থানায় মামলার প্রস্তুতি