সিএনজি চালিত অটোরিক্সায় গ্রিল সংযোজনসহ প্রশাসনের বেশ কয়েকটি নির্দেশনা না মেনে ধর্মঘটের ডাক দিয়ে অটোরিক্সা চালক ও মালিক সমিতি সিলেট। মঙ্গলবার দ্বিতীয় দিনের মতো ধর্মঘট করতে দেখা গেছে পরিবহন শ্রমিকদের। এত ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পৌরশহরে আসতে গিয়ে বিপাকে পড়েন সাধারণ যাত্রিরা। অনেকেই বাধ্য হয়ে গন্তব্যে পৌঁছান পায়ে হেঁটে কিংবা বিকল্প মাধ্যমে।

বিয়ানীবাজারের প্রধান সড়কসহ উপজেলা ও গ্রাম্য সড়কগুলোতে পরিবহন শ্রমিকদের ধর্মঘট পালন করতে দেখা গেছে। একই সাথে কোন অটোরিক্সা যাত্রি কিংবা যাত্রিছাড়া চলাচল করলে তাদের চাবি নিয়ে আটকে রাখছেন ধর্মঘটে অংশ নেয়া পরিবহন শ্রমিকরা। এর প্রভাব পড়েছে পৌরশহরের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে। সাধারণ মানুষের আসা কমে যাওয়ায় অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টদের অলস সময় কাটাতে দেখা গেছে।

এদিকে অটোরিক্সার ধর্মঘটের সুযোগে রিক্সা ও ব্যাটারি চালিত টমটমের চালকরা যাত্রিদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছেন। অনেক সময় যাত্রিরা দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করেও টমটম কিংবা রিক্সা পাননি। তাই বাধ্য হয়ে পায়ে হেঁটে শহরে আসতে হয়েছে।

ভোগান্তিতে পড়া নাজমিন বেগম বলেন, নবাং থেকে জরুরী প্রয়োজনে পৌরশহরে আসতে হয়েছে পায়ে হেঁটে। দশ মিনিটের কাজ শেষে রিক্সা না পেলে পায়ে হেঁটে বাড়ি ফিরতে হবে। তিনি অনুযোগ করে বলেন, সরকারের উচিত পরিবহনের নীতিমাল প্রণয়ন করা। আর এটি সবাইকে মানতে হবে। যারা মানবে না তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। তাইলে হুট করে কেউ ধর্মঘট ডাকবে না আমরাও ভোগান্তিতে পড়বোনা।

আজ ৪৮ ঘন্টার ধর্মঘট শেষ হলে পরিবহস শ্রমিকদের দাবি না মানলে আগে থেকে নতুন কর্মসূচীর ঘোষণা দিয়ে রেখেছিলেন শ্রমিক নেতারা। এবার দেখা বিষয় তারা এ দাবিতে অনঢ় থাকেন না সরকারের নির্দেশনা মেনে নেন।

এবিটিভির সর্বশেষ প্রতিবেদন-

সবজি চাষে স্বাবলম্বী বেকার যুবক আলম