সিলেট-জকিগঞ্জ সড়কের হেতিমগঞ্জ এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত তিন পরিবারের পাশে দাড়িয়েছে জেলা প্রশাসন। বুধবার দুপুরে জেলা প্রশাসনের নির্দেশে নিহত তিন পরিবারের স্বজনদের হাতে আর্থিক অনুদান প্রদান করেন বিয়ানীবাজার ও গোলাপগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা।

গোলাপগঞ্জে নিহত শিশু মেহেদী হাসানের বাবার হাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম কবীর নগদ ২০ হাজার টাকা তুলে দেন।

একইভাবে বিয়ানীবাজার উপজেলার নিহত চারখাই কঁচকটখাঁ এলাকার হাজী আব্দুল জলিলের ছেলে সুনাম মিয়া (২৪) ও একই এলাকার মৃত কুনু মিয়ার ছেলে রাজন (২২) এর পরিবারের হাতে নগদ ২০ হাজার টাকা করে তুলে দেন বিয়ানীবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মৌসুমী মাহবুব।

এছাড়া নিহত অপর জনের পরিচয় এখনো শনাক্ত হয়নি। তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর প্রশাসন পরিবারের কাছে একইভাবে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করবে।

গোলাপগঞ্জে নিহত শিশুর পরিবারকে নগদ ২০ হাজার টাকা প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন, এডিশনাল এসপি মোঃ মাহবুবুল আলম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম কবীর, সার্কেল এসপি রাশেদুল হক চৌধূরী, পুলিশ পরিদর্শক আবুল কাশেমসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি।

উল্লেখ্য, বুধবার (৩০ ডিসেম্বার) ভোর ৫টার দিকে হেতিমগঞ্জ পশ্চিম বাজার এলাকার মোল্লাগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন স্থানে সড়কের উপর দাড়িয়ে থাকা একটি মালবোঝাই ট্রাকের সাথে বিয়ানীবাজার গামী মাইক্রো পেছন দিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে চালক সুনাম উদ্দিন ও সামনের আসনে বসা রাজন আহমদ মারা যান। অল্প সময়ের মধ্যে মাইক্রোর সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হলে পেছনের আসনে থাকা অজ্ঞাত ব্যক্তি এবং সড়কের পাশে বস্তির শিশু মেহেদী হাসান মারা যায়।

এবিটিভির সর্বশেষ প্রতিবেদন-

বিয়ানীবাজারে বাড়ছে এজেন্ট ব্যাংক, গ্রামীণ জনপদে মিলছে ব্যাংকিং সেবা