বিয়ানীবাজার পৌরসভা নির্বাচনে ঝুলে ছিল আবুল কাশেম পল্লবের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ। মেয়র পদে প্রার্থীর হওয়ার পর থেকে পৌরসভার দক্ষিণের ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডে তার আধিপত্য নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলে ছিলেন। শেষ পর্যন্ত পল্লব দক্ষিণের কিং হয়েই পৌরসভা নির্বাচন শেষ করলেন। বিয়ানীবাজারে আঞ্চলিক রাজনীতিতে পল্লবের অবস্থান আরও দীর্ঘ হওয়ার আভাস দিলো এ পৌরসভা নির্বাচন।

৯নং ওয়ার্ড পল্লবের নিজ কেন্দ্র হলেও জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী জমির হোসাইন থাকায় এ কেন্দ্রে পল্লবের ভোটের অবস্থান নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে। এর চেয়ে বেশি আলোচনা হয়েছে ৮নং ওয়ার্ডের কেন্দ্রের ভোট নিয়ে। পল্লবের সাথে স্বতন্ত্র প্রার্থী তফজ্জুল হোসেনকে যৌথ অবস্থানে রেখেছিলেন সবাই। কিন্তু তফজ্জুল হোসেনের একান্তজন হাজী মউর উদ্দিনের প্রভাব তেমন একটা না পড়ায় পল্লব এ কেন্দ্রেও বিশাল ব্যবধানে জয়লাভ করেন। বিশেষ করে আঞ্চলিক অবস্থানে দক্ষিণের লোকজন পল্লবের উপর আস্থা রেখেছেন।

৮নং ওয়ার্ডে ১৭৩৪ ভোট কাস্ট হয়। আবুল কাশেম পল্লবের মোবাইল ফোন পায় ৮১২ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি নৌকার (৩৬০) চেয়ে ৪৫২ ভোট বেশি পান। এ কেন্দ্রে ভরাডুবি হয়েছে পৌর প্রশাসক তফজ্জুল হোসেনের। তিনি পেয়েছেন ২৯৬টি ভোট।

৯নং ওয়ার্ডে ৮৩২ ভোট পান আবুল কাশেম পল্লব (মোবাইল ফোন)। একেন্দ্রে ১৪৪২টি ভোট কাস্ট হয়। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন জামায়াতের জমির উদ্দিন ১৬৩টি ভোট।