৬ মাস ধরে ইরান-তুরস্ক সীমান্ত থেকে নিখোঁজ রয়েছেন সিলেটের গোলাপগঞ্জের আব্দুল মুমিত (৩৩) নামের এক যুবক। আব্দুল মুমিত উপজেলার চন্দরপুর এলাকার বানিগাজী গ্রামের মরহুম আমির উদ্দিনের পুত্র।

গত বছরের ২৯ জুনের পর থেকে তার কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন তার বড় ভাই ফ্রান্স প্রবাসী জুনেদ আহমদ। তিনি জানান, সর্বশেষ ২৯জুন তারিখে আব্দুল মুমিতের সাথে তার ফোনে কথা হয়। ঐসময় আব্দুল মুমিত ইরানের উরুমিয়া সীমান্তে অবস্থান করছিলেন। এর পরের দিনই তার তুরস্কে যাওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু এরপরদিন থেকে আব্দুল মুমিতের আর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। শত চেষ্টা করেও আব্দুল মুমিতের সাথে কোনও যোগাযোগ স্থাপন করতে পারিনি আমরা।

এরপর আব্দুল মুমিতকে প্রেরণকারী ইরানে অবস্থানরত হবিগঞ্জ জেলার বাসিন্দা দালাল আব্দুল মালিক এবং ওমানে অবস্থানরত গোলাপগঞ্জের ফুলসাইন্দ এলাকার দালাল জসিম উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, আব্দুল মুমিতকে তুরস্ক পুলিশ আটক করে হাজতে রেখেছে। সে মুক্তি পাওয়ার পর এমনিতেই যোগাযোগ করবে। প্রথমে তারা ফোন রিসিভ করলেও গত কয়েকদিন থেকে তারা আর ফোন রিসিভ করছে না।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, আব্দুল মুমিত গত ৩ বছর থেকে মধ্যপ্রাচ্যের দুবাইয়ে কর্মরত ছিলেন। এরপর তাকে ইরান-তুরস্ক হয়ে ইউরোপ নিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখান ইরানে অবস্থানরত হবিগঞ্জ জেলার বাসিন্দা আব্দুল মালিক এবং ওমানে অবস্থানরত গোলাপগঞ্জের ফুলসাইন্দ এলাকার বাসিন্দা জসিম উদ্দিন। এরপর তারা আব্দুল মুমিতকে ইউরোপে পঠানোর উদ্দেশ্যে ইরান-তুরস্ক সীমান্তে নিয়ে আসে।

এবিটিভির সর্বশেষ প্রতিবেদন-

অস্ত্রসহ পুলিশের খাঁচায় তিন ডাকাত।। বাকিদের ধরতে বিয়ানীবাজারে চলছে অভিযান