ত্রিদেশীয় ক্রিকেট সিরিজের নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে টাইগাররা তিন অর্ধশতকের উপর ভর করে ৯ উইকেটে ২৫৮ রান সংগ্রহ করে। সৌম্য, মুশফিক ও মাহমুদুল্লাহ’র দায়িত্বশীল ব্যাটিং লড়াই করার পুঁজি পায় দুর্বল নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে সৌম্যের আগ্রাসী এবং তামিমের সাবধানী সূচনা উদ্বোধন জুটিতে রান আসে ৭২ রান। ডিপ কভারে তামিম (২৩) ক্যাচ দিয়ে আউট হলে নির্ভার সৌম্য শাব্বিরকে নিয়ে এগিয়ে যান। এক রান করে দলের ৮২ রানের মাথা শাব্বির বোল্ড হয়ে সাজ ঘরে ফেরেন। সৌম্য আউট হওয়ার আগে মূল্যবান ৬১ রান তুলে। সুধিকে তুলে মারতে গিয়ে ক্যাচ দেন এ উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান। দলের রান ১১৭। এর আগে মুশফিকের সাথে দারুন জুটি গড়ে তুলেন সৌম্য। ক্রিজে এসে সাকিব সর্তক থাকলেও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। মাত্র ৬ রান করে সুধি বলে ক্যাচ আউট হন এ বাহাতি অলরাউন্ডার। মুশফিক অন্য প্রান্তে অবিচল থেকে অর্ধশতক তুলে নেন। মাহমুদুল্লাহর সাথে চমৎকার জুটি গড়ে মুশি। দলীয় ১৮২ রানের মুশফিক নিশানের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন। তার উইলো থেকে আসে ৫৫ রান। নবাগত হার্টহিটার সৈকত নিয়ে রানের চাকা স্বচল রাখেন মাহমুদুল্লাহ। নিজের অর্ধশতক পূর্ণ করার এক রান পরেই বিদায় নেন এ নির্ভার ব্যাটম্যান। দলীয় সংগ্রহ তখন ২৪৩ রান। দলীয় খাতায় দশরান যোগ করে সৈকত (৪১) বিদায় নেন। মিরাজ ও মাশরাফি দ্রুত বিদায় নিলে শেষ ওভারে মাত্র ৪রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ।

নিউজিল্যান্ডের সেরা বোলার বিনেট নেন ৪ উইকেট। এ চার উইকেটে তিনটিই নেন শেষ ওভারে। এছাড়া সুধি, নিশান ও সিটনিয়ার ২ করে উইকেট পান।