লিবিয়া হয়ে ইতালি যাওয়ার পথে তিউনেশিয়ায় নিহত বিয়ানীবাজার উপজেলার মুড়িয়া ইউনিয়নের মাইজকাপন গ্রামের আব্দুল হালিম সুজনের জানাযা সম্পন্ন হয়েছে। আজ শনিবার সন্ধ্যা ৬ টায় নিজ গ্রামে অনুষ্ঠিত জানাযায় শোকাহত মানুষের ঢল নামে। জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁর লাশ দাফন করা হয়েছে।

আজ সকালে লিবিয়া থেকে তাঁর মরদেহ ঢাকা এসে পৌছালে স্বজনরা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মরদেহ গ্রহণ করেন। বিকাল ৫টার দিকে লাশবাহী এ্যাম্বুল্যান্স নিজ এলাকা পৌছালে এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারণা ঘটে। প্রিয় ভাইয়ের মরদেহ দেখে অচেতন হয়ে পড়েন ভাইয়েরা। স্বজনদের আহাজারিতে পুরো এলাকায় মাতম ছড়িয়ে পড়ে।

সুজনের বড়ভাই আব্দুল আলিম বলেন, গোয়ালির শাহিন এবং ইটাউরীর কালামের মাধ্যমে সুজনকে ইতালি পৌছানোর জন্য প্রায় ৮লাখ টাকা দেয়া হয়েছিল। সুজন সর্বশেষ ৩ রমজান আমাদের সাথে যোগাযোগ করে। এরপর সে নিখোঁজ ছিল। তিনি জানান, এ দুই মানব পাচারকারির বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। জানান,

উল্লেখ্য, লিবিয়া হয়ে ইতালি যাওয়ার পথে তিউনেশিয়ায় নৌকা ডুবে সুজনসহ অনেকে বাংলাদেশীর মৃত্যু হয়। দীর্ঘদিন পর তাঁর লাশ আজ শনিবার দেশে এসে পৌছায়।