ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ৬ লেনের জন্য ১৫ হাজার একশত ৩০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন এমপি।

এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর আজ এ বরাদ্দের কথা জানিয়েছেন উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন- এ সড়কটি ১৯৯২ সালে হওয়ার কথা ছিলো, কিন্তু আমাদের এত গাড়ি নেই তাই বড় সড়কের দরকার নেই বলে এ বিষয়ে গুরুত্ব দেননি তৎকালীন সরকারের অর্থমন্ত্রী। বর্তমানে বঙ্গবন্ধু কন্যা এই সড়কটির গুরুত্ব অনুধাবন করে ৪ লেন থেকে ৬ লেন করেছেন। মহাসড়কের প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে পুরো সিলেট অঞ্চল এবং পর্যটন এবং শিল্পাঞ্চলগুলো উপকৃত হবে, যা জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখবে।

শুক্রবার (২৭ আগস্ট) বিকেলে সিলেটর দক্ষিণ সুরমা উপজেলা কমপ্লেক্সে ড. মোমেন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ৬টি ফ্রি কনসেনট্রেটর বিতরণকালে ভার্চ্যুয়াল সভায় তিনি একথা বলেন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন, সমাজসেবী আব্দুল জব্বার জলিল, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এড. নাসির উদ্দিন খান, সহ-সভাপতি সাবেক এমপি শফিকুর রহমান চৌধুরী, সিলেট বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. হিমাংশু লাল রায়, সিভিল সার্জন ডা. প্রেমানন্দ মন্ডল প্রমুখ।

এসময় বক্তারা সিলেটের স্বাস্থ্যসেবায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অবদানের কথা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন এবং সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিজস্ব অক্সিজেন প্ল্যান্ট ও দক্ষিণ সুরমা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্ল্যান্টের আওতায় নিয়ে আসতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানান।

এদিকে, গত ১০ আগস্ট সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগে অসহায় রোগীদের বিভিন্ন সেবা দানের প্রত্যয় নিয়ে যাত্রা শুরু করে মোমেন ফাউন্ডেশনের হেল্প ডেস্ক।

সিলেট এমএজি ওসমানী হাসপাতালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেনের নামে পরিচালিত এই ফাউন্ডেশনের উদ্বোধন করেছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, চার ধরণের সেবা দেবে মোমেন ফাউন্ডেশন। যেখানে হেল্প ডেস্ক থেকে রোগীদের অক্সিজেন, ঔষধ ও খাবার দেয়া হবে। হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন পড়েনি কিন্তু অক্সিজেনের প্রয়োজন এমন রোগীদের বাসা-বাড়িতে ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে অক্সিজেন সেবা প্রদান করা হবে।

এছাড়া করোনা আক্রান্ত রোগীদের যেসব ঔষধ হাসপাতালে দেয়া হয় না, সেগুলো দেয়া হবে। রোগীদের কারো প্রয়োজন হলে সরবরাহ করা হবে খাবারও। তাছাড়া হেল্প ডেস্কের সহযোগিতা নিয়ে করোনার টিকার রেজিস্ট্রেশনও করতে পারবেন যে কেউ।

দেশে করোনা সংক্রমণের পর থেকে সিলেটে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ায় মোমেন ফাউন্ডেশন। সংকটে পড়া লোকজনের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেয়া হয় খাদ্যসামগ্রী। এছাড়া বিভিন্নভাবে অসহায় মানুষদের সেবা দিয়ে যাচ্ছে এ প্রতিষ্ঠান।

এবিটিভির বিশেষ প্রতিবেদন

ডিসেম্বরে ইউপি নির্বাচন, স্থানীয় নির্বাচন অফিস প্রস্তুত