সারাদেশে মতো বিয়ানীবাজারের সাধারন মানুষের মধ্যেও করোনাভাইরাসের টিকা গ্রহণে আগ্রহ বাড়ছে। টিকা গ্রহণ করতে প্রতিদিনই বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মানুষজন ভিড় করছেন। অনেককে টিকা নেয়ার পর উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে দেখা গেছে। ৪০ বছর ও তার তদূর্ধ্ব এবং সম্মুখসারীর করোনা যোদ্ধাদের টিকা নিতে দেখা গেছে। তবে প্রথম দিনে যতজন মানুষ টিকা গ্রহণ করেছেন বুধবার একদিনে সে পরিমানই টিকা নিয়েছেন। সবমিলিয়ে বুধবার পর্যন্ত বিয়ানীবাজার উপজেলার ৬৩০জন মানুষ এই টিকা গ্রহণ করেছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দুটি পৃথক বুথে করোনার বিনামূল্যে টিকাদান কার্যক্রম চলমান রয়েছে। প্রথম দিনে ১২০ জন, দ্বিতীয় দিন ৮০জন, তৃতীয় দিন ১২০ এবং সর্বশেষ চতুর্থ দিন (বুধবার) ৩১০জন মানুষ এই টিকা গ্রহণ করেছেন।

এদিকে, বুধবার দুপুরে করোনার টিকা নেন বিয়ানীবাজার পৌরসভার মেয়র মো আব্দুস শুকুর ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জামাল হোসেনসহ বীর মুক্তিযোদ্ধা, জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিবিদ, শিক্ষকসহ বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষ। টিকা গ্রহনের পর তারা শারিরীকভাবে সুস্থতাবোধ করছেন জানিয়ে ভয়-শঙ্কা না করে টিকা গ্রহণে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তারা।

বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোয়াজ্জেম আলী খান চৌধুরী। তিনি বলেন, ৪০ বছর থেকে ঊর্ধ্বের যেকোন বয়সী মানুষ  নিবন্ধন করার মাধ্যমে টিকা নিচ্ছেন। প্রথম ডিনের তুলনায় চতুর্থ দিনে এসে টিকা গ্রহণকারীদের সংখ্যা বেড়ে গেছে। তিনি বলেন, মানুষের উপস্থিতি, ভিড় ও সামাজিক দূরত্ব সৃষ্টি করতে টিকা বুথে দায়িত্বে থাকা স্বেচ্ছাসেবক সদস্যদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের এই দায়িত্বশীল আশা করছেন, আগামী দিনগুলোতে মানুষের মধ্যে টিকা নেওয়ার প্রবণতা আরও বাড়বে। রেজিস্ট্রেশন করে যিনি আগে আসবেন তিনিই আগে টিকা নিতে পারবেন। নানাভাবে মানুষকে টিকা নিতে উদ্বুদ্ধও করছেন তারা।

এবিটিভির সর্বশেষ প্রতিবেদন-

বিয়ানীবাজারের জলঢুপ উচ্চ বিদ্যালয়ে নির্মাণ হচ্ছে ৪তলা ভবন, নিরসন হবে শ্রেণি সংকট