আর মাত্র একদিন পরেই সিলেট জেলা পরিষদ নির্বাচন। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় এ নির্বাচনে মূল আকর্ষণ কে নির্বাচিত হচ্ছেন ওয়ার্ড সদস্য

৮র্ন ওয়ার্ড বিয়ানীবাজার উপজেলার ৯জন সদস্য পদ প্রার্থীদের মধ্যে বিজয়ী নির্বাচিত করতে ১৭ অক্টোবর ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। সারা দেশের সাথে বিয়ানীবাজার পিএইচজি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ভোট গ্রহণ সকাল থেকে টানা দুপুর ২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।

শেস মুহূর্তে এসে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীদের প্রচারণা এবং সব ধরনের লবিং এর মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সাথে ভোটারদের বিভিন্ন প্রলোভন দেয়ার গুঞ্জণ রয়েছে। শেষ পর্যন্ত লবিং, প্রচারণা এবং ভোটারদের প্রভাবিত করার উপর নির্ভর করছে প্রার্থীদের নির্বাচনি ফলাফল।

রাজনৈতিক বৈরীতা দূরে ঠেলে ভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরাও পছন্দে কিংবা নিজ বলয়ের প্রার্থীর পক্ষে কাজস করছে। শেষ দিকে এসে অঞ্চল প্রীতির ধোহাই দিয়ে ভোটারদের আকৃষ্ট করা চেষ্টা করছেন প্রার্থীরা। এতে কেউ কেউ লাভবান হচ্ছেন। আবার অনেকের জন্য এটি বুমেরাংও হতে পারে।
৮নং ওয়ার্ড বিয়ানীবাজারে নির্বাচনে ৯ প্রার্থীরা হলেন, চারখাই ইউনিয়নের সাবেক দুইবারের চেয়ারম্যান মাহম’দ আলী (হাতী প্রতিক), বিয়ানীবাজার উপজে’লা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার আব্দুল কাদির (ক্রিকেট ব্যাট), পৌর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী খসরুল হক (উট পাখি), মাথিউরা ইউনিয়নের সাবেক দুইবারের চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা সিহাব উদ্দিন (অটোরিক্সা), বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজের খণ্ডকালিন প্রভাষক উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আরবাব হোসেন খান (তালা), বঙ্গবন্ধু কিশোর মেলা কেন্দ্রীয় নেতা ময়েজ উদ্দিন (টিফিন), উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সদস্য নজরুল হোসেন (ফ্যান প্রতিক), সাবেক ছাত্রনেতা ফ্রান্সপ্রবাসী আলিম উদ্দিন সুমন (ঘুড়ি) ও আলী আহমদ (টিউবওয়েল)।

‌জমে উঠেছে সিলেট জেলা পরিষদের সদস্য পদে নির্বাচন