জকিগঞ্জে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে জনৈক শিক্ষিকা ঘুমিয়ে পড়ার বহুল আলোচিত ঘটনার বছর পার হতে না হতেই আবারো উপজেলা চেয়ারম্যান একজন শিক্ষিকাকে শনিবার শ্রেণিকক্ষে ঘুমন্ত অবস্থায় পান।

উপজেলার কসকনকপুর ইউনিয়নের কসকনকপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষিকা খালেদা বেগম তৃতীয় শ্রেণিতে ক্লাস নেয়ার সময় শ্রেণিকক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন। বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান এ দৃশ্য দেখতে পান। শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ডাকে ঘুম ভাঙ্গে ঐ শিক্ষিকার।

উপজেলা চেয়ারম্যান ইকবাল আহমদ জানান, শনিবার তিনি উপজেলার ১৪টি বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন। দুপুর একটায় কসকনকপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে গেলে বিদ্যালয়ের আঙিনা সংলগ্ন সড়ক থেকেই দেখতে পান শ্রেণিকক্ষে একজন শিক্ষিকা ঘুমিয়ে আছেন। তিনি শ্রেণি কক্ষে প্রবেশ করলে শিক্ষার্থীদের ‘ম্যাডাম ম্যাডাম’ ডাকে ওই শিক্ষিকার ঘুম ভাঙ্গে।

উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা শিক্ষা কমিটির সভাপতি বলেন শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের পরিবর্তে ঘুমিয়ে পড়া চরম দায়িত্বহীনতা। এ বিষয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শ্রেণিকক্ষে ঘুমিয়ে পরার অপরাধ স্বীকার করে শিক্ষিকা খালেদা বেগম বলেন ‘আমার মাথা ব্যথার কারণে শিক্ষার্থীদের লিখতে দিয়ে ৫ মিনিট বিশ্রাম নিচ্ছিলাম। তিনি উপজেলা চেয়ারম্যানের কাছে এ জন্য ক্ষমা প্রার্থনাও করেন।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুস শহীদ তাপাদার বলেন, ঐ শিক্ষিকার অসুস্থতার জন্য কোনো আবেদন দেননি। তবে সহকর্মীদের সাথে তার অসুস্থার বিষয়টির তিনি আলাপ করেছেন। শ্রেণি কক্ষে ঘুমিয়ে পড়ার সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।