সিলেটের জকিগঞ্জে নিখোঁজের পাঁচদিনের মাথায় শিশু কন্যা সাম্মী আক্তারের (৭) বস্তবন্দী লাশ উদ্ধার হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় জকিগঞ্জ পৌর এলাকার কেছরী গ্রামের ঝুপড়িতে বস্তাবন্দী একটি শিশুর লাশ দেখতে পায় স্থানীয়রা।

স্থানীয়রা জকিগঞ্জ থানা পুলিশকে অবহিত করলে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। তখন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পাঁচদিন ধরে নিখোঁজ থাকা সাম্মী আক্তারের লাশ বলে সনাক্ত করেন তার বাবা আজমল হোসেন।

নিহত শিশু কন্যা সাম্মী আক্তার ভরন মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেনীর ছাত্রী ও জকিগঞ্জ সদর ইউপির মানিকপুর গ্রামের আজমল হোসেনের মেয়ে। শাম্মি আক্তারের বাবা জকিগঞ্জ থানা পুলিশের বাবুর্চির কাজ করায় বর্তমানে পৌর এলাকার পীরেরচক গ্রামে ভাড়া বাসায় বসবাস করেন।

নিহত শিশু কন্যার বাবা আজমল হোসেন জানান, গত রোববার বিকেলের দিকে জকিগঞ্জ বাজারের পুরাতন লঞ্চঘাটের ছাউনির দিকে যায় সাম্মী আক্তার। এরপর থেকে সে নিখোঁজ ছিলো। পরিবারের লোকজন অনেক খোঁজাখুঁজি করেও সন্ধান পাননি। এলাকায় মাইকিং করা হয়। ওই রাতে তিনি জকিগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন। ঘটনার পাঁচদিনের মাথায় শুক্রবার সন্ধ্যায় কেছরী গ্রামের ঝুপড়ির মাঝে শিশুর বস্তাবন্দী লাশ পাওয়ার খবর পেয়ে তিনি সেখানে গিয়ে তার মেয়ের লাশ সনাক্ত করেন। তার অবুঝ শিশু কন্যাকে কারা কেন নির্মমভাবে হত্যা করলো সেটা তিনি বলতে পারেননি। তিনি একটি হত্যা মামলা দায়ের করবেন বলে জানান। অবুঝ শিশু কন্যা সাম্মী আক্তার হত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও শাস্তির দাবীর জানিয়েছেন এলাকার সর্বস্থরের মানুষসহ সাম্মী আক্তারের মা-বাবা।

স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর আলমগীর হোসাইন পুতুল জানান, ঝুপড়ির মধ্যে বস্তাবন্দী একটি লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে অবগত করেন। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে নিয়ে গেছে।

জকিগঞ্জ থানার ওসি মো. মোশাররফ হোসেন জানান, লাশ ময়না তদন্ত করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটনে তদন্ত চলছে। জড়িতদের দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেফতার করতে পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে।

‌মসজিদের শহর বিয়ানীবাজার।। পর্ব#৫১।। এ পর্বে রয়েছে উপজেলার লাউতা ইউনিয়নের বাহাদুর পুর জামে মসজিদ