গোলাপগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী, গোলাপগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রুহেল আহমদ বলেছেন, গোলাপগঞ্জ একটি এ গ্রেড পৌরসভা হওয়া সত্ত্বেও অন্যান্য পৌরসভার তুলনায় পিছিয়ে রয়েছে। বিগত দিনে আমার অগ্রজরা পৌর মেয়রের দায়িত্বপালন করেছেন। কিন্তু দুনীর্তি স্বজনপ্রীতিসহ বিভিন্ন কারনে পৌরসভার উন্নয়ন ব্যাহত হয়েছে। সামগ্রিক বিষয়ে প্রাধান্য দিয়ে দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতিমুক্ত আধুনিক, উন্নত পৌরসভা গঠনই আমার মূল লক্ষ্য।

বুধবার দুপুরে পৌর শহরের কদমগাছের তলস্থ নৌকার নির্বাচনী প্রধান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, বিগত নির্বাচনে বিজয়ীদের সরকারের সাথে সরাসরি কোন সংযোগ ছিল না। কিন্তু এবার দল আমাকে মনোনয়ন দিয়েছে। তাই ক্ষমতাসীন দলের অধীনে থেকে পৌর এলাকার উন্নয়ন ঘাটতি পুরন করে মডেল পৌরসভা গড়তে আমি বদ্ধ পরিকর। সিলেট জেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা নৌকার বিজয়ে মাঠে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। নৌকা বর্তমানে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। নৌকাকে বিজয়ী করতে বিভিন্ন টিম মাঠে কাজ করছে।

সাবেক এ ছাত্রনেতা বলেন, আমি ১৯৯৩ সাল থেকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে থেকে ছাত্রলীগের রাজনীতি, যুবলীগ ও বর্তমানে পৌর আওয়ামী লীগের দায়িত্বে রয়েছি। আমি সুষ্টু ও আদর্শ রাজনীতিতে বিশ্বাসী। ভোটাররা এবার সচেতন। দলের বিবেচনায়, প্রার্থী বিবেচনায় সকল প্রার্থীদের আমলনামা যাচাই-বাছাই করে তারা তাদের যোগ্য প্রার্থী নির্বাচন করবেন বলে আমি মনে করি।

মেয়র প্রার্থী রুহেল বলেন, আমি মধ্যবিত্ত ঘরের সন্তান। করোনাকালীন সময় সহ বিভিন্ন সময়ে এলাকার মানুষের জন্য কাজ করেছি। আত্মীয়-স্বজন প্রবাসী ও দলীয় নেতৃবৃন্দের কাছ থেকে অনুদানের মাধ্যমে এলাকার দরিদ্র-নিপীড়িত মানুষের কল্যাণে কাজ করেছি। তিনি বলেন, গোলাপগঞ্জের রাস্তাঘাট সংকীর্ণ।

মাষ্টারপ্লান অনুযায়ী সড়ক প্রসস্থকরণ, বয়স্কভাতা, বিধবা ভাতা শতভাগ নিশ্চিত, পৌর এলাকার জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি, বেকারত্ব দুরিকরণে বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্ন “গ্রাম হবে শহর” এ আলোকে নাগরিক হয়রানি মুক্ত পৌরসভা গঠন করা হবে। এছাড়াও পৌর এলাকার হতদরিদ্র মানুষের জন্য পৌরসভার উদ্যোগে একটি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, পৌরসভার উন্নয়ন করতে হলে স্বজনপ্রীতি ও দুনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি মধ্যবিত্ত ঘরের সন্তান। আমার কালোটাকার ছড়াছড়ি নেই। জনগণ আমার শক্তি, জনগনই ৩০তারিখ অবাধ, সুুষ্টু, নিরপেক্ষ ভোটের মাধ্যমে অপপ্রচারের জবাব দিবে।

রুহেল আহমদ অভিযোগ করে বলেন, বিভিন্ন জায়গায় আমার কর্মীদেরকে হুমকি দেয়া হচ্ছে। আমার নির্বাচনী পোষ্টার, ব্যানার ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে। এটা স্বচ্ছ রাজনীতি নয়, রাজনীতির অপব্যবহার। প্রতিহিংসার রাজনীতি ছেড়ে সুস্থ রাজনীতির আহবান জানান তিনি। তিনি বলেন, অতীত কমকান্ড যাচাই করে ভোটাররা তাদের বিবেক বুদ্ধি সুষ্টু ব্যবহারের মাধ্যমে নৌকাকে নির্বাচিত করবে ইনশাআল্লাহ।

এবিটিভির সর্বশেষ প্রতিবেদন-

বিয়ানীবাজারে অজ্ঞাত মহিলার লাশ নিয়ে রহস্য