সড়ক ও জনপথের দুইটি প্রকল্পের আওতায় গোলাপগঞ্জ-ভাদেশ্বর ও চারখাই-বারইগ্রাম সড়কে সংষ্কার কাজ শুরু হবে শীঘ্রই। এ দুই প্রকল্পের ঠিকাদার নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে পৃথকভাবে। আগামী ৩০ অক্টোবর ও ১০ নভেম্বর নির্ধারীত সময়ে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের টেন্ডারর নিয়ন অনুযায়ী গ্রহণ করবে সওজ।

গোলাপগঞ্জ-ভাদেশ্বর সড়ক এবং বিয়ানীবাজার-সিলেট সড়কের মেওয়া ত্রিমোহনী থেকে শেওলা সেতুর এ্যপ্রোচ সড়ক হয়ে ৫কিলোমিটার এবং খাসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সম্মুখ এলাকা ৩শত মিটার সংষ্কার ও পুনর্বাসন কাজে ব্যয় হবে ২৭ কোটি টাকা। একটি প্রকল্পের মাধ্যমে এ ব্যয় নির্ধারণ করেছে সওজ সিলেট অফিস।এ সড়কের পুনর্বাসন কাজের জন্য আগামী ১০ নভেম্বর টেন্ডার জমা দেয়ার আহবান জানানো হয়েছে। সড়কের খাসা এলাকায় ৮ ইঞ্চি আরসিসি ঢালাই ও ৪ফুট উচু করা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

চারখাই-বিয়ানীবাজার-বারইগ্রাম সড়কের কাকর দিয়া, আঙ্গাজুর, বৈরাগীবাজার, জলঢুপ ও বারইগ্রাম বাজার এলাকায় সড়কের ক্ষতিগ্রস্থ অংশ সংস্কার করতে সওজ ব্যয় নির্ধারণ করেছে ৫ কোটি টাকা। আগামী ৩০ অক্টোবর ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের কাছে টেন্ডার জমা দেয়ার আহবান জানিয়েছে সওজ।

সওজ অফিস সূত্রে জানা যায়, টেন্ডার জমা দেয়ার পর দ্রুত সময়ের মধ্যে সবার উপস্থিতি টেন্ডার খোলা হবে। সর্বনিম্ন দরদাতা প্রতিষ্ঠানকে ঠিকাদার নিয়োগ দেয়া হবে। একই সাথে দ্রুত সময়ের মধ্যে সংস্কার কাজ শুরু ও শেষ করার জন্য তাদেও সময় বেঁধে দেয়া হবে।

বিগত কয়েক বছর থেকে চারখাই-বিয়ানীবাজার সড়কের খাসা এলাকায় বৃষ্টির পানিতে জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। এসব জলাবদ্ধতা নিরসনে সওজ সগকের ওই অংশ উচু করার পরিকল্পনা করছে। সড়ক পুনর্বাসনে খাসা এলাকার ৩শত মিটার ৪ফুট উচু করা হবে। তবে স্থানীয়দের ধারণা সড়কের ওই অংশ উচু হলেও জলাবদ্ধতা নিরসন হবে না। উল্টো শহীদ টিলা এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দেবে। প্রয়োজন দ্রুত সময়ের মধ্যে বৃষ্টি পানি নেমে যাওয়ার ব্যবস্থা করা।

সড়ক সংস্কারের পাশাপাশি বৃষ্টির পানি নেমে যাওয়ার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বিয়ানীবাজার পৌরসভা। পৌর মেয়র আব্দুস শুকুর গত শুক্রবার শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের সম্মুখে বলেন, স্থানীয়দের নিয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে বৃষ্টির পানি নেমে যাওয়ার একটি গ্রহণ যোগ্য উপায় বের করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আশা করি সকলের সহযোগিতায় এটি সমাধান হবে।