গোলাপগঞ্জ পৌরসভায় মেয়র পদে উপ-নির্বাচনে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত কোন প্রার্থীই তার প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেননি। তফসিল অনুযায়ী প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিল আজ সোমবার। মঙ্গলবার (১৮ সেপ্টেম্বর) প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে বলে তফসিলে উল্লেখ রয়েছে।

এ ব্যাপারে জেলা সিনিয়র নির্বাচন অফিসার খোরশেদ আলম জানান, সোমবার পর্যন্ত কোন প্রার্থী তাদের প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেননি। মঙ্গলবার সকালে ৪ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে।

এদিকে প্রতীক বরাদ্দের আগেই মেয়র প্রার্থীদের প্রচার প্রচারণায় জমে উঠেছে নির্বাচনী মাঠ। নাওয়া-খাওয়া ভুলে বিরামহীনভাবে ব্যাপক তৎপরতার সাথে প্রচারণা চালাচ্ছেন তারা।

আগামী ৩ অক্টোবর নির্বাচনকে সামনে রেখে ৪ মেয়র প্রার্থী পৌর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডে উঠান বৈঠকসহ নানা কলাকৌশলে ব্যস্ত সময় পার করছেন। প্রতিদিনই নানা রকমের খেলাধুলায় প্রাইজ ও শরিক হচ্ছেন একাধিক সামাজিক অনুষ্ঠানে। ছাড়ছেন যে যার মতো কথার ফুলঝুরি। আশ্বাস দিচ্ছেন এলাকা ও এলাকার মানুষের নানাবিধ উন্নয়নের।

এর আগে ৯ সেপ্টেম্বর গোলাপগঞ্জ পৌর মেয়র উপ-নির্বাচনে মেয়র পদে ৫ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিলে তা যাচাই বাছাইয়ে বিএনপির প্রার্থী পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক রাজু আহমদ চৌধুরীর মনোনয়ন বাতিল করে উপজেলা নির্বাচন অফিস। পরে জানা যায় তার জমা দেওয়া হলফনামায় তথ্যগত ভুল থাকার কারণেই বাতিল হয় তার মনোনয়ন।

এদিকে আওয়ামীলীগের প্রার্থী সাবেক মেয়র জাকারিয়া আহমদ পাপলু , আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী যুক্তরাজ্য যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক আমিনুল ইসলাম রাবেল, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি স্বতন্ত্র প্রার্থী মহি-উস-সুন্নাহ চৌধুরী নার্জিস এবং পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক গোলাম কিবরিয়া চৌধুরী শাহীনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়।

প্রসঙ্গত, তফসিল অনুযায়ী ভোট গ্রহণ হবে আগামী ৩ অক্টোবর (বুধবার) সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত।