গোলাপগঞ্জ উপজেলা সদরে রোগাক্রান্ত গরু জবাই করায় মাংস বিক্রেতাকে (কসাই) ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সোমবার (২৯ জুন) সকালে গোলাপগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে মাংসসহ কসাই চুনু মিয়াকে (৫০) আটক করে। পরে ভ্রাম্যমান আদালত তাকে জরিমানা করে।

চুনু মিয়া গোলাপগঞ্জ বাজারের আহমদ খান সড়কের প্রবেশের মুখের প্রথম মাংসের দোকানের মালিক। তিনি ফুলবাড়ি উত্তর পাড়ার ফলিক উদ্দিনের ছেলে। এসময় তার দুই সহযোগি ফরিদ মিয়া (৩৫) ও মনু মিয়া (৩২) কে আটক করা হয়। ফরিদ মিয়া পৌরসভার সরস্বতি নিজগঞ্জ গ্রামের আলা উদ্দিনের ছেলে এবং মনু মিয়া ঘোষগাও খালোপাড় গ্রামের লিলু মিয়ার ছেলে।

জানা গেছে, পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পায় কসাই চুনু মিয়া একটি রোগাক্রান্ত গরু জবাই করেছেন। সাথে সাথে পুলিশের একটি মোবাইল টিম এসআই জাকির হোসেনের নেতৃত্বে অভিযানে নামে। ঘটনাস্থলে গিয়ে সত্যতা পেলে মাংসসহ তাদের আটক করে পুলিশ। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট নিয়ে গেলে সেখানে একজন পশু চিকিৎসক মাংস পরীক্ষা করে রোগের উপস্থিতি পান। এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ভোক্তা অধিকার আইনে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন এবং কসাই চুনু মিয়া আর কোন দিন এমন কাজ করবেন না বলে মুচলেখা দেন।

গোলাপগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ হারুনুর রশিদ চৌধুরী বলেন, সংবাদ পাওয়ার সাথে সাথে পুলিশের একটি টিম অভিযান গিয়ে মাংসসহ তাদরে ৩ জনকে আটক করে। তিনি বলেন, করোনার মধ্যে মানুষ এমনিতেই নানা দুশ্চিন্তায় আছেন। তার মধ্যে আবার রোগাক্রান্ত গরু জবাই করছে মাংস বিক্রেতারা।

গোলাপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মামুনুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, রোগাক্রান্ত গরু জবাই করে মাংস বিক্রি করার দায়ে ২০ হাজার টাকা জরিমান করা হয়ছে।

এবিটিভির সর্বশেষ প্রতিবেদন-

বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর দ্বারকেশ চন্দ্র নাথ বিদায় সংবর্ধিত