গোলাপগঞ্জে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্যবিবাহের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী।

সোমবার (৬ আগস্ট) বেলা ১টায় উপজেলার ভাদেশ্বর ইউনিয়নের হাওরতলা গ্রামে ওই ছাত্রীর নিজ বাড়িতে আকদ অনুষ্ঠান সম্পন্নের চেষ্টা করলে প্রশাসনের নির্দেশে স্থানীয় ইউপি সদস্য এই বিয়ে ভেঙ্গে দেন।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, মীরগঞ্জ দ্বিপাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর এক শিক্ষার্থীর বিয়ে ঠিক করে তার পরিবার। এই ছাত্রী অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় বিষয়টি এলাকাবাসী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম ও গোলাপগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ একেএম ফজলুল হক শিবলিকে অবহিত করেন।

পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানালে চেয়ারম্যান ইউপি সদস্য পাঠিয়ে বাল্যবিবাহ বন্ধ করেন।

ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য হেলাল আহমদ বিয়ে বন্ধের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, চেয়ারম্যানের মাধ্যমে নির্দেশ পেয়ে কনের বাড়ীতে গিয়ে বিয়ে বন্ধ করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম জানান, আমি বিষয়টি শুনে তাৎক্ষণিক স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও মেয়ের বাবাকে মুঠোফোনে বিয়ের বন্ধের জন্য আহবান জানাই। বাল্যবিবাহের শাস্তি সম্পর্কে অবগত করলে মেয়ের বাবা তার ভুল বুঝতে পারেন।