গোলাপগঞ্জ মডেল থানায় নিজের নিরাপত্তার জন্য সাধারন ডায়েরী করতে এসেছিলেন আইসিটি আইনে গ্রেফতার হয়েছেন এক নওমুসলিম। রাকেশ নামের একজনের মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। তবে তাকে আটকিয়ে রাখার কয়েক ঘন্টা পরে থানায় মামলা দায়ের করেন রাকেশ রায়। পুলিশের এ ভুমিকায় গোলাপগঞ্জ জুড়ে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

জানা যায়, মৌলভীবাজার জেলার করিমপুর গ্রামের সুনিল বাবু দাশ এর ছেলে কানন সারতি ওরফে কানু দাস প্রায় ৪বছর পূর্বে হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। এরপর তার নতুন নাম হয় আব্দুল আজিজ; নতুন ঠিকানা সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার ডামপাল গ্রামে। এই ৪বছরে নিজের বাবা-মা সহ ২০ থেকে ৩০ জন হিন্দুকে তিনি ইসলাম ধর্মে দিক্ষীত করেছেন। আব্দুল আজীজের হিন্দু থেকে মুসলমান হওয়ার বিষয়টি মেনে নিতে পারেনি সিলেট বিভাগীয় হিন্দু খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ। ফেসবুকে তার নামে হিন্দুদের নিয়ে হুমকি ও প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটুক্তি করে দেওয়া হয় কম্পিউটার দিয়ে কারসাজি করে বানানো পোষ্ট। এই ঘটনায় নিরাপত্তা চেয়ে থানায় জিডির আবেদন করতে এসে েআটক হন আজিজ।  যার বিরুদ্ধে ডিজিটাল কারসাজির অভিযোগ নিয়ে থানায় এসেছিলেন নও মুসলিম আব্দুল আজীজ তার দেওয়া মামলায় পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

মামলার বাদী জাতীয় হিন্দু মহাজোট কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রাকেশ রায় মোবাইল ফোনে সাংবাদিকদের জানান, সে সবাইকে মন ভুলিয়ে ধর্মান্তরিত করছে এটি ঠিক নয়। নিজের বিরুদ্ধে ভুয়া আইডি থেকে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ মিথ্যা দাবী করে তিনি জানান কম্পিউটার কারসাজি কিনা সঠিক বলা যাচ্ছেনা।

গোলাপগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ এ কে এম ফজলুল হক শিবলী বলেন, ‘আজিজ বিপদজনক লোক হতে পারে এ সন্দেহে তাকে আটক করা হয়। তাকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। সে কেন থানায় এসেছিলো এবং কোন মামলা ছাড়া থাকে কেন গ্রেফতার করা হলো জানতে চাইলে তিনি আরো জানান, সে একটা সাধারন ডায়েরী (জিডি) আবেদন নিয়ে এসেছিলো সন্দেহ হওয়ায় আটক করা হয়েছিল। তার বিরুদ্ধে থানায় রাকেশ রায়ের একটি অভিযোগ থাকায় সেটিতে গ্রেফতার করা হয়েছে।