গোলাপগঞ্জে টানা দু’দিনের পরিবহন শ্রমিক ধর্মঘটের চরম দূর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। পরিবহন শ্রমিকরা শুক্রবার ও শনিবার সকাল থেকেই সিলেট-জকিগঞ্জ সড়কসহ আঞ্চলিক সব সড়ক অবরোধ করে গাড়ি চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছেন। এতে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়েন সাধারণ মানুষ বিপাকে পড়েন। শ্রমিক ধর্মঘট নামে পরিবহন নৈরাজ্যর পুলিশ নিরব দর্শক ছিল।

সকাল থেকে পরিবহন শ্রমিকরা গোলাপগঞ্জ মডেল থানা সংলগ্ন সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে ও রাস্তার মাঝখানে আড়াআড়ি ট্রাক ও ট্রাক্টর রেখে গাছ ফেলে ব্যারিকেড তৈরি করেন। তাদের ধর্মঘটের ফলে পূর্ব সিলেটের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা সাধারণ মানুষ ও রোগীরাও আটকা পড়েছেন।

দেখা যায়, শুক্রবার খুব ভোর থেকে গোলাপগঞ্জ চৌমুহনীতে অবস্থান নেয় সিএনজি অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়নের শ্রমিকরা। তাদের অবস্থান বিকাল ৫টায় পর্যন্ত থাকে। এসময় শ্রমিকরা সব ধরনের যানবাহন আটকে দিলে রাস্তার উভয় দিকে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। দিনভর পিকেটিং শেষে বিকেল ৫টার দিকে যান চলাচল কিছুটা স্বাভাবিক হয়।

আজ শনিবার সকাল থেকে ট্রাক, পিকআপ ভ্যান ও কাভার্টভ্যান শ্রমিকরা উপজেলার সব ক’টি রাস্তায় সকাল থেকেই অবস্থান নিয়ে পিকেটিং শুরু করেন। শ্রমিক সিলেট-জকিগঞ্জ সড়কের গোলাপগঞ্জ কদমতলী পয়েন্ট, গোলাপগঞ্জ-ঢাকাদক্ষিণ-ভাদেশ্বর সড়কের উপজেলা সংলগ্ন, বিয়ানীবাজার চন্দরপুর সড়কের চন্দরপুর বাজারে, ঢাকাদক্ষিণ,হেতিমগঞ্জ ও রাণাপিং চৌঘরী বাজারে পিকেটিং করেন।

[image link=” http://beanibazarnews24.com/wp-content/uploads/2018/08/golapgong-f-2.jpg” img=” http://beanibazarnews24.com/wp-content/uploads/2018/08/golapgong-f-2.jpg” caption=”সড়ক অবরোধকালে লাঠি হাতে বেপোরয়াভাবে রাস্তায় শ্রমিকরা”]

ধর্মঘটে পুলিশের ভূমিকা নিবর থাকায় জনমনে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শ্রমিকরা লাঠি হাতে বেপোরয়াভাবে রাস্তায় অবস্থান নেয়ায় প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।

সিলেট যাওয়া পথে আটকে পড়া যুবক সাহেদ আহমদ বলেন, এভাবে নৈরাজ্য চালিয়ে সড়ক অবরোধ করে কার স্বার্থ রক্ষা করছেন শ্রমিকরা। লাঠি হাতে থাকা শ্রমিকরা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের উস্কানি দিচ্ছেন। অথচ পুলিশ নিশ্চুপ রয়েছে।