গোলাপগঞ্জে পূর্ব বিরোধের জেরে চাচাতো ভাইয়ের খুনিকে আটক করেছে পুলিশ। গত শনিবার সন্ধ্যায় গোলাপগঞ্জ সদর ইউনিয়নের রাণাপিং বাজারে খুনের ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার পর পর ঘাতক গা ঢাকা দিলেও গোলাপগঞ্জ মডেল থানা পুলিশের কৌশলী অভিযানে শেষ রক্ষা হয়নি তার। সে সদর ইউনিয়নের সৎখন্ড গ্রামের মৃত মুমিন আলীর ছেলে জহির আহমদ(৩৮)। গতকাল সোমবার আদালতের মাধ্যমে তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়। আসামীকে আদালতে নেয়ার পর খুনের দায় স্বীকার করেছে বলে জানাযায়।

গত শনিবার সন্ধ্যা সদর ইউনিয়নের রানাপিং সৎখন্ড গ্রামের মৃত আসাব উদ্দিনের ছেলে আতিকুর রহমান (৭০)কে পূর্ব শত্রুতার জেরে জহিরুল প্রকাশ্য দিবালোকে দা দিয়ে কোপায়। এ ঘটনায় আতিকুর রহমান মারাত্বক জখমপ্রাপ্ত হলে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। ঘটনার পরদিন নিহতের পুত্র শাহেদ আহমদ বাদী হয়ে গোলাপগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। (মামলা নং-১৩, তাং-১৫.০৭.১৮)। জহিরকে একমাত্র আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত রোববার রাতে সিলেটের সুরমা গেইট থেকে শাহপরান থানার সহযোগীতায় ঘাতক জহিরকে আটক করে গোলাপগঞ্জ মডেল থানার পুলিশ। ঘটনার পর সে পলাতক থাকলেও পুলিশের বি”ছক্ষণ বুদ্ধিমত্তা ও কৌশলী অভিযানে শেষ রক্ষা হয়নি ঘাতক জহিরের। গতকাল আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

এদিকে চাচাত ভাইয়ের খুনি ঘাতক জহিরকে আদালতে জিজ্ঞাসাবাদে খুনের দায় স্বীকার করেছে বলে নিশ্চিত করেছেন গোলাপগঞ্জ মডেল থানার ওসি একেএম ফজলুল হক শিবলী।