গোলাপগঞ্জে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ এর সংখ্যা কমলেও পাশের হার বেড়েছে। উপজেলার ৩৩টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ৩ হাজার ৬শ’ ৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ করে, ২ হাজার ৯শ’ ৬১ জন পাশ করেছে। পাশের হার ৮২.১৬%। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৫ জন। ২০১৬ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৫৩ জন এবং পাশের হার ছিল ৮১.৫৫%।

উপজেলার ৩৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১১টি প্রতিষ্ঠান থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে ৪৫জন। প্রতিষ্ঠান গুলো হচ্ছে- ঢাকাদক্ষিণ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে ২শত ৭৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহন করে, পাশ করেছে ২শত ৫৩জন। পাশের হার ৯১.৬৭%। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১জন। গোলাপগঞ্জ এমসি একাডেমী মডেল স্কুল ও কলেজ থেকে ২শত ৪৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহন করে, পাশ করেছে ২শত ১৯জন। পাশের হার ৮৯.৩৯%। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২জন। ভাদেশ্বর নাছির উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে ২শত ৫৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহন করে, পাশ করেছে ২শত ৯জন। পাশের হার ৮১.৯৬%। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭ জন। তাঁরা মিয়া খান ইন্টারন্যাশনাল একাডেমী থেকে ৪৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহন করে, পাশ করেছে ৪৮জন। পাশের হার ৯৭.৯৬%। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪জন। আত্হারিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে ১শত ৬৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহন করে, পাশ করেছে ১শত ৫০ জন। পাশের হার ৮৮.৭৬%। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩জন। গোলাপগঞ্জ জামেয়া ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৯৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহন করে, পাশ করেছে ৮৬জন। পাশের হার ৯০.৫৩%। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২জন। হাজী আব্দুল আহাদ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে ২শত ৪৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহন করে, পাশ করেছে ১শত ৭৬জন। পাশের হার ৭১.৫৪%। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২জন। পনাইরচক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১শত ২৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহন করে, পাশ করেছে ১শত জন। পাশের হার ৮০.৬৫%। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১জন। আল-এমদাদ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১শত ৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহন করে, পাশ করেছে ৮৮জন। পাশের হার ৮৪.৬২%। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১জন। বিএনকে উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৮০ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহন করে, পাশ করেছে ৬২জন। পাশের হার ৭৭.৫০%। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১জন। বরায়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১শত ৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহন করে, পাশ করেছে ৭৫জন। পাশের হার ৭১.৪৩%। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১জন।

গোলাপগঞ্জে এবারের দাখিল পরীক্ষায় পাশের হার ৬৬.৩৭%। জিপিএ-৫ একজনও পায়নি। মোট ৬শত ৮৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহন করে, পাশ করেছে ৪শত ৫৬জন। ২০টি প্রতিষ্ঠানের শতকরা ৮০ ভাগের উপর পাশ করেছে ৫টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী। প্রতিষ্ঠান গুলোর মধ্যে ফুলবাড়ী আজিরিয়া ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ৫৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহন করে পাশ করেছে ৫৬জন, পাশের হার ৯৪.৯১%। কৈলাশ শাহ্ নূর দাখিল মাদ্রাসা থেকে ৩৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহন করে পাশ করেছে ৩৫জন, পাশের হার ৯৪.৫৯%। লক্ষনাবন্দ হুফাজে কোরআন মহিলা দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১০ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহন করে পাশ করেছে ৯জন, পাশের হার ৯০%। মেহেরপুর আনছারুল উলুম আলিম মাদ্রাসা থেকে ৩৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহন করে পাশ করেছে ২৭জন, পাশের হার ৮১.৮১%। বাগলা আরাবিয়া হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ৪২ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহন করে পাশ করেছে ৩৪জন, পাশের হার ৮০.৯৫%। বাদেপাশা হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ৩৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহন করে পাশ করেছে ২৯জন, পাশের হার ৮০.৫৫%।