গোলাপগঞ্জে আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে করোনা ভাইরাস। প্রতিদিন ২/৩ জন করে করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন। গত ৩ সপ্তাহে করোনায় সুস্থতা নেই। বাড়ছে আইসোলেশনে থাকা রোগীর সংখ্যাও।

এদিকে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে দেশজুড়ে সর্বাত্মক চলছে লকডাউন। গোলাপগঞ্জে তার ব্যতিক্রম নয়। তবে কে মানে কার কথা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি থাকলেও মানুষ মানছেন না লকডাউন। প্রতিদিন উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। করা হচ্ছে বিভিন্ন মামলায় জরিমানাও। তারপরও মানুষের মধ্যে নেই সচেতনতা।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দেয়া তথ্য মতে, গত ৩ সপ্তাহে প্রতিদিন করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন মানুষ। তবে সুস্থতা নেই। উপজেলায় গত এক সপ্তাহে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৭ জন নারী-পুরুষ। এ নিয়ে প্রথম থেকে এখন পর্যন্ত উপজেলায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৪’শ ৯জন। গত তিন সপ্তাহে ১ জনও সুস্থ না হওয়ায় সুস্থতার সংখ্যার আগের অবস্থানে রয়েছে। এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৩’শ ৬০ জন। মৃত্যুবরণ করেছেন ১৪ জন। আইসোলেশনে আছেন ১৭ জন।

এদিকে এখন পর্যন্ত উপজেলায় করোনার প্রথম ডোজ টিকা গ্রহণ করেছেন ৬ হাজার ৮’শ ৯জন। দ্বিতীয় ডোজ টিকা গ্রহণ করেছেন ৭’শ ৯৯জন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শাহিনুর ইসলাম শাহিন বলেন, করোনা থেকে বাঁচতে হলে সবাইকে সচেতন হতে হবে। তা না হলে করোনা ভাইরাসের মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। নিয়মিত মাস্ক পরতে হবে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

এবিটিভির সর্বশেষ প্রতিবেদন-

বিয়ানীবাজার উপজেলার অন্যতম দৃষ্টিনন্দন মসজিদ চন্দগ্রাম জামে মসজিদ