গোলাপগঞ্জ উপজেলার উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১৫জন শিক্ষার্থী এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। পাশের হার ৮৪.১৪ ভাগ। উপজেলার ১৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটির শতভাগ শিক্ষার্থী পাশ করেছে। এইচএসসি পরীক্ষায় ২ হাজার ২৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে পাশ করেছে ১ হাজার ৭শত ৩জন। গতবারের চেয়ে এবারের জিপিএ-৫ কমেছে।

হাজী আব্দুল আহাদ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৩০ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহন করে সবাই পাশ করেছে। এছাড়া ঢাকাদক্ষিণ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে ২শত ৭৫জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে পাশ করেছে ২শত ৫৫জন। পাশের হার ৯২.৭৩%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯জন। এমসি একাডেমী থেকে ৩শত ৮৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহন করে পাশ করেছে ৩শত ৭১জন, পাশের হার ৯৬.৬১%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩জন। ঢাকাদক্ষিণ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে ২শত ২৩জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে পাশ করেছে ১শত ৯৭জন। পাশের হার ৮৮.৩৪%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩জন। আল-এমদাদ ডিগ্রী কলেজ থেকে ৯৪জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে পাশ করেছে ৮৪জন। পাশের হার ৯৮.৩৬%। ভাদেশ্বর নাছির উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে ৬৮জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে পাশ করেছে ৬৩ জন। পাশের হার ৯২.৬৫%। রণকেলী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে ৫২ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে পাশ করেছে ৪৮ জন। পাশের হার ৯২.৩১%। ড. সৈয়দ মকবুল হোসেন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে ২২জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে পাশ করেছে ২০ জন। পাশের হার ৯০.৯১%। ভাদেশ্বর মহিলা ডিগ্রী কলেজ থেকে ১শত ৬২ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে পাশ করেছে ১শত ৪৬জন। পাশের হার ৯০.১২%। রাণাপিং আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে ৭৭জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে পাশ করেছে ৬৭ জন। পাশের হার ৮৭.০১%। ফুলসাইন্দ দ্বি-পাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে ৬৮জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে পাশ করেছে ৫৪ জন। পাশের হার ৮৯.৪১%। আত্হারিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে ৫৮জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে পাশ করেছে ৪৪ জন। পাশের হার ৭৫.৮৬%। কুশিয়ারা কলেজ থেকে ১শত ৪৮জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে পাশ করেছে ১শত ০৬ জন। পাশের হার ৭১.৬২%। ঢাকাদক্ষিণ ডিগ্রী কলেজ থেকে ৩শত ১২জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে পাশ করেছে ১শত ৮৮ জন। পাশের হার ৬০.২৬%। বিএনকে উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে ৫১জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে পাশ করেছে ৩০ জন। পাশের হার ৫৮.৮২%।

এছাড়া মাদ্রাসা বোর্ডের আলিম পরীক্ষায় উপজেলার ৫টি প্রতিষ্ঠান থেকে ২শত ৪৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহন করে ১শত ৩৫ জন পাশ করেছে। পাশের হার ৫৫.১০%। জিপিএ-৫ কেউ পায়নি। হাজী আব্দুস সহিদ মহিলা আলিম মাদ্রাসা থেকে ১৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ করে ১৪জন পাশ করেছে। পাশের হার ৯৪.৩৩%$। আছিরগঞ্জ সিনিয়র মাদ্রাসা থেকে ২০ জন পরীক্ষার্থী অংশ করে ১৭জন পাশ করেছে। পাশের হার ৮৫%। ভাদেশ্বর মডেল ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ১শত ১০ জন পরীক্ষার্থী অংশ করে ৬২ জন পাশ করেছে। পাশের হার ৫৬.৩৬%। ফুলবাড়ী আজিরিয়া ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ৫৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ করে ২৩ জন পাশ করেছে। পাশের হার ৪১.৮১%।