গোলাপগঞ্জে হাট-বাজারগুলোতে সরকার নির্ধারিত দাম উপেক্ষা করে ৫০ টাকা কেজি দরেই আলু বিক্রি হচ্ছে। সরকারের নির্ধারিত দামকে ক্রেতারা সাধুবাদ জানালেও দাম কমাচ্ছেননা ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়ীরা বলছে বেশি দামে কেনার কারণে তারা সরকার নির্ধারিত দামে তারা আলু বিক্রি করতে পারছেননা।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সরেজমিন গোলাপগঞ্জ চৌমুহনীস্হ মুদি দোকান, কাঁচাবাজার ঘুরে ৫০ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি করতে দেখা গেছে। তাছাড়া বড় বড় পাইকারি দোকান গুলোতেও আগের দামে আলু বিক্রি হচ্ছে।

গোলাপগঞ্জ বাজারে আলু কিনতে আসা সিরাজ উদ্দিন জানান, সরকার আলুর দাম প্রতি কেজি ৩০ টাকা নির্ধারণ করে দিলেও খুচরা ব্যবসায়ীরা ৫০ টাকা কেজিতে তা বিক্রি করছেন।

অন্য দিকে আরেক ক্রেতা বাহার উদ্দিন জানান, টিভি ও পত্র পত্রিকায় আলুর দাম কমানোর খবর শুনেছি। তবে সরকার নির্ধারিত দামে আলু বিক্রি হচ্ছেনা।
গোলাপগঞ্জ বাজারের কাঁচামাল ব্যবসায়ী ফজলু মিয়া জানান, দুইদিন আগে তিনি ৬০ কেজির আলুর বস্তা ২৬০০ টাকা দিয়ে ক্রয় করেছেন। এতে কেজি পড়েছে ৪৩ টাকার একটু ওপরে। এখন সরকারী রেটে আলু বিক্রি করলে কেজিতে লোকসান হবে ১৩/১৪ টাকা।

চৌমুহনীর মুদি দোকানের ব্যবসায়ী আলী আকবর জানান, সপ্তাহ খানেক ধরে ২৪০০ টাকা বস্তা (৬০ কেজি) দামে আলু আমরা কিনে তা ২৫০০-২৬০০ টাকায় বিক্রি করেছি। এখন তো আমরা বিপদে পড়ে গেছি। বৃহস্পতিবার ১০০ বস্তা আলু বিক্রি করলেও আজ শুক্রবার আলু কেনার লোক নেই।
তিনি আরো জানান, আমরা পাইকারী ব্যবসায়ীরা অনেক লোকসানের মুখে পড়ে যাব। আমাদের দোকানে প্রায় আড়াইশ বস্তা আলু রয়েছে। ২৫ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি করলে আমরা মোটা অংকের লোকসানে পড়ব।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মামুনুর রহমান ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) অনুপমা দাসের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে ফোন রিসিভ করেন নি।

এবিটিভির সর্বশেষ প্রতিবেদন-