গোলাপগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে একের পর এক টিলা কাটা চলছে। এই চক্রটি অবাধে টিলা কাটায় প্রাকৃতিক সৌন্দর্য হানিসহ পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। সরকারিভাবে টিলার মাটি কাটা নিষিদ্ধ থাকলেও কোনো আইন মানছে না তারা। দস্যুরা প্রকাশ্যে টিলা কেটে মাটি নিয়ে যাচ্ছে।

উপজেলার ঢাকাদক্ষিণ ইউপির দক্ষিণ বারকোট গ্রামে বাসা বাড়ি এলাকায় ‘কটির বাড়ি’ নামে একটি টিলা প্রকাশ্যে ২৫-৩০ শ্রমিক লাগিয়ে কাটা হচ্ছে। সোমবার দুপুরে সরেজমিনে টিলার মালিক সিরাজ মিয়াকে যথাস্থানে না পেয়ে তার সঙ্গে ফোনে কথা হলে তিনি জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও গোলাপগঞ্জ মডেল থানা থেকে অনুমতি নিয়ে টিলা কাটা হচ্ছে।
এছাড়া উপেজলার টিলা বেষ্টিত সব ইউনিয়ন চলছে অবাধে কাটা হচ্ছে টিলার মাটি। ঢাকাদক্ষিণ বাইপাস সড়ক দিয়ে গোলাপগঞ্জ যাওয়ার সময় প্রধান সড়কের দুই পাশে টিলার মাটি কেটে নেওয়ার চিত্র দেখা গেলেও উপজেলা প্রশাসন ও সিলেট পরিবেশ অধিদপ্তর নিশ্চুপ রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের অসাধু কর্মকর্তাদের প্রভাবিত করে অসাধু চক্র টিলার মাটি কেটে নিচ্ছে।

এ ব্যাপারে গোলাপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম জানান, এভাবে টিলা কাটার কোন অনুমতি দেওয়া হয়নি। এ ব্যাপারে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মামুনুর রহমান জানান টিলা কাটা নিষিদ্ধ। টিলা কাটা বন্ধে এখনই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পরে তাৎক্ষণিক ঢাকাদক্ষিণ ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপ-সহকারী জাহাঙ্গীর আলম ঘটনাস্থলে গিয়ে টিলা কাটা বন্ধ করে দেন। এ সময় তিনি টিলার মালিককে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যাওয়ার জন্য নির্দেশ দেন।