গোলাপগঞ্জের হেতিমগঞ্জে পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত আবুল খায়ের (৩২) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। নিহত যুবক উপজেলার লক্ষীপাশা ইউনিয়নের কঠোয়ালপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামে মৃত তয়াহিদ আলীর পুত্র । রবিবার তিনি সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধিন অবস্থায় মারা যান।

এ ঘটনায় গোলাপগঞ্জ মডেল থানায় ১০জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আজ সোমবার বাদ আসর নিহত আবুল খায়েরের জানাজা শেষে পারিবারিক গোরস্থানে লাশ দাফন করা হয়েছে।

জানা যায়, প্রায় মাসখানেক পূর্বে একই এলাকার মৃত মানিক আলীর পুত্র, মৃত আব্দুল সত্তারের পুত্র, মৃত মন্দি আলীর পুত্র, মৃত ইছমেদ আলীর পুত্র ও মৃত কুটন আলীর পুত্র গংদের সাথে আবুল খায়েরের ভাইদের কথা কাটাকাটি হয়। এ ব্যাপারে এলাকার মুরব্বিদের উদ্যোগে বিষয়টি নিরসনের উদ্যোগ নিলেও তা সম্ভব হয়নি। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত ১০ জুন রাত সাড়ে ১২টার দিকে আবুল খায়েরকে নিজ বাড়ীতে ফেরার পথে প্রতিপক্ষের লোকজন অতর্কিত হামলা চালিয়ে গুরুতর জখমপ্রাপ্ত ও তার চাচা মন্নান আহমদ (ভুট্টো)’কে আহত করেন। এসময় আবুল খায়ের মাথায় দায়ের কূপ ও শরীলের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে হামলাকারিরা। আহতদের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে তাদের উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ ঘটনায় আবুল খায়েরের বড় ভাই মিছবাহ উদ্দিন বাদী হয়ে ১০জনকে আসামী করে গোলাপগঞ্জ মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং- ১০, তাং-১৪-০৬-১৮।

মামলা আাসামীরা হলেন- কতোয়ালপুর পশ্চিমপাড়া এলাকার মৃত মানিক আলীর পুত্র লায়েক আহমদ(২৫), সায়েক আহমদ (২৭) ও ফখরুল ইসলাম (৩০), একই এলাকার মৃত আব্দুল সত্তারের পুত্র ফখরুল ইসলাম (৩৫), গিয়াস উদ্দিন (২৮), মৃত মন্দি মিয়ার পুত্র ফিরোজ আহমদ (৩৬), কুটন আহমদ (৪০), মৃত ইছমপদ আলীর পুত্র জয়নাল আহমদ(৩৭), রুবেল আহমদ (২২)। কুটন আলীর পুত্র আজমল আলী (২৮)। আসামীরা সবাই নিকটাত্মীয়।