বিয়ানীবাজার উপজেলার বারইগ্রাম বাজারে ঈদুল আজহার কোরবানির জন্য একটি গরুর দাম ৪ লাখ হাকানো হয়েছে। রবিবার গরুটি বাজারে তুলেন ব্যবসায়ী ফখরুল ইসলাম। সুন্দুর করে সাজানো গরুটির দাম এক ক্রেতা আড়াই লাখ বললেও বিক্রি করেননি এ বিক্রেতা।

উচ্চতা প্রায় পাঁচ ফুট, দৈর্ঘ ও সাত-আট ফুটের বেশি লম্বা গরুটি লাল রঙ্গের। ৮ থেকে ১০ মণ মাংস হবে বলে দাবি গরুর মালিকের। স্থানীয় বারইগ্রাম কোরবানির পশুর হাটে সর্বোচ্চ দামের গরুটি দেখতে উৎসুক মানুষ ভীড় করছেন। এবারের ঈদুল আজহায় এ জনপদের সর্ববৃহৎ কোরবানির পশু বলেই ধরা হচ্ছে এই গরুটিকে।

গতকাল রবিবার (১৯ আগস্ট) উপজেলার বারইগ্রাম পশুর হাটে গরুটি তুলেছেন ব্যবসায়ী ফখরুল ইসলাম।

ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে বিয়ানীবাজারে পশুর হাটগুলোতে এখনো গরু-মহিষ আসছে। বিয়ানীবাজারসহ বড়লেখা ও গোলাপগঞ্জ উপজেলার অনেকেই গরুর হাটে ভিড়ছেন কোরবানির গরু কিনতে। রবিবার বারইগ্রাম গরুর হাটে ছবির এই গরুর দাম হাঁকা হয় ৪ লাখ টাকা। গরুটি এসেছে উপজেলার তিলপাড়া ইউনিয়ন থেকে।

আলাপকালে ফখরুল ইসলাম জানান, এই গরুটি আমার পোষা। অনেক যত্ন নিয়ে ওকে লালন-পালন করেছি। গতকাল রবিবার গরুটি বাজারে তোলার পর আড়াই লক্ষ টাকা দাম উঠছে। এই দামে আমার পুষাবে না বলে বিক্রি করিনি। আশা করছি, ঈদের আগে আরও বেশি দামে গরুটি বিক্রি করতে পারবো।

প্রসঙ্গত, এবারের ঈদুল আজহার কোরবানির পশুর হাটে গরু সরবরাহ থাকলেও দাম চড়া। কোরবানির এসব পশুর হাটে ক্রেতার চেয়ে দর্শনার্থীদের সংখ্যাই ছিল বেশি। অন্যান্য বছরের ন্যায় এবার গরু বিক্রি হচ্ছে তুলনামূলকভাবে অনেক কম। এজন্য অবৈধ কোরবানির পশুর হাটগুলোকেই দায়ী বলে অভিযোগ করেছেন কোরবানীর পশুর হাটগুলোকে।